বিএনপি-জামাত জঙ্গিবাদকে মদদ দিচ্ছে-যুব মৈত্রী

যুগবার্তা ডেস্কঃশুক্রবার বাংলাদেশ যুব মৈত্রীর ৯ম কেন্দ্রীয় কমিটির সভা শহীদ আসাদ মিলনায়তনে সকালে সংগঠনের সভাপতি মোস্তফা আলমগীর রতনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাব্বাহ আলী খান কলিন্স, সহসভাপতি শহীদ হাসান সিদ্দিকী স্বপন, টিপু সুলতান এমপি, জাহাঙ্গীর আলম ফজলু, মুর্শিদা আখতার ডেইজী, সহসাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তপন, আব্দুল আহাদ মিনার, রফিকুল ইসলাম সুজন, কামরূল হাসান নাসিম, মনিরুদ্দিন পান্না, সাংগঠনিক সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, হিমাংসু মিত্র, ফারহাইন বালী, এমরান চৌধুরী, কেন্দ্রীয় সদস্য শামীম ইমতিয়াজ, এখলাসুর রহমান, মাহবুবুর রহমান, মামুন অর রশিদ, আফরোজ আলী প্রমুখ।
সভায় বক্তাগণ বলেন, দেশের রাজনৈতিক স্থীতিশীলতা নস্যাৎ করার জন্য বর্তমান সরকারের প্রতিপক্ষ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী বিএনপি-জামাত পাকিস্তানি ভাবাদর্শকে প্রতিষ্ঠিত করতে জঙ্গিবাদী অপশক্তিকে মদদ দিচ্ছে। বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটিতে রাজাকার পুত্রদের জায়গা দেওয়ার মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়া আবারো মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষদের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুল প্রদর্শন করলো। বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী জঙ্গিবাদী উত্থানের পিছনে সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকার ইন্ধন রয়েছে। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, জঙ্গি নির্মূলের ব্যাপারে সরকার যে অবস্থান নিয়েছে পুলিশের মাধ্যমে তাতে ব্যাচেলর-বেকার কর্মজীবী মানুষকে হয়রানী করার অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ মানুষকে হয়রানীর হাত থেকে রক্ষা করতে পুলিশ বাহিনীসহ আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান। জঙ্গিবাদীদের পরাস্ত করতে সকল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের রাজনৈতিক দলসমূহকে জনগণকে সাথে নিয়ে লড়াই অব্যাহত রেখে অসাম্প্রদায়িক-গণতান্ত্রিক রাজনীতির ধারা এগিয়ে নেয়া জরুরি। দেশ ও দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষায় এর কোন বিকল্প নাই। রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে দুর্নীতি রুখতে সকলকে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে এবং সুশাসন নিশ্চিত করা জরুরি। নেতৃবৃন্দ বেকার-যুবদের দুর্নীতি মুক্ত কর্মসংস্থানের পথ প্রশস্ত করতে বলেন। বেকারদের রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কাজের ব্যবস্থা করতে হবে, না হলে হতাশ বেকার যুবরা সমাজে অনিষ্ট সাধন করতে পারে। নেতৃবৃন্দ রামপালে সুন্দরবন ধ্বংসের বিদ্যুৎ কেন্দ্র চুক্তি বাতিলের দাবিসহ গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির পায়তারা বন্ধের আহ্বান জানান।
আজকের কেন্দ্রীয় কমিটির সভা শেষে আগামীকাল সারাদেশ থেকে আগত জেলা ও মহানগরের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতি একই স্থানে জাতীয় পরিষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে।