বিআরটিএর বাসভাড়া কমানোর প্রস্তাব তামাশা-সিপিবি

35

জ্বালানি তেলের দাম কমার প্রেক্ষিতে দূরপাল্লার বাসভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ৩ পয়সা কমানোর বিআরটিএর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। সিপিবি’র সভাপতি কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক কমরেড সৈয়দ আবু জাফর আহমেদ এক বিবৃতিতে বলেছেন, যে ‘নামমাত্র’ হারে বাসভাড়া কমানোর প্রস্তাব বিআরটিএ করেছে, তা হাস্যকর, অগ্রহণযোগ্য এবং বাস্তবায়ন-অযোগ্য। এটা জনগণের সাথে নির্মম তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়।জ্বালানি তেলের দাম কমার প্রেক্ষিতে দূরপাল্লার বাসভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ৩ পয়সা কমানোর বিআরটিএর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। সিপিবি’র সভাপতি কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক কমরেড সৈয়দ আবু জাফর আহমেদ এক বিবৃতিতে বলেছেন, যে ‘নামমাত্র’ হারে বাসভাড়া কমানোর প্রস্তাব বিআরটিএ করেছে, তা হাস্যকর, অগ্রহণযোগ্য এবং বাস্তবায়ন-অযোগ্য। এটা জনগণের সাথে নির্মম তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, জ্বালানির দাম বাড়লে বাসভাড়া বাড়বে এক হারে, আর জ্বালানির দাম কমলে বাসভাড়া কমবে তার চেয়ে অনেক কম হারে- এটা হতে পারে না। বিআরটিএর প্রস্তাবে শহরের অভ্যন্তরীণ রুটে বাসভাড়া কমানোর কোনো কথা নেই। দূরপাল্লার বাসভাড়া যে হারে কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে, তা প্রকৃতপক্ষে বাস্তবায়িত হবে না। ফলে জ্বালানির দাম কমার পরেও, প্রকৃতপক্ষে জনগণকে আগের হারেই বাসভাড়া দিতে হবে।
সিপিবি’র নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, সরকার অসাধু বাস-ট্রাকমালিকদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। জনগণের প্রতি সরকারের কোনো দায়বদ্ধতা নেই। সরকার যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তাতে জ্বালানির দাম কমার সুবিধা জনগণ পাবে না, সুবিধা পাবে বাসমালিকরা। প্রতিবছর ৯৯০ কোটি টাকা চলে যাবে জ্বালানি তেলে চালিত বাস ও ট্রাকের মালিকদের পকেটে।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ জ্বালানির দাম আরো কমানো এবং দূরপাল্লার পাশাপাশি ঢাকা-চট্টগ্রামসহ অভ্যন্তরীণ রুটে সঙ্গতিপূর্ণ, যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য হারে বাসভাড়া কমানোর দাবি জানান। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, জ্বালানির দাম বাড়লে বাসভাড়া বাড়বে এক হারে, আর জ্বালানির দাম কমলে বাসভাড়া কমবে তার চেয়ে অনেক কম হারে- এটা হতে পারে না। বিআরটিএর প্রস্তাবে শহরের অভ্যন্তরীণ রুটে বাসভাড়া কমানোর কোনো কথা নেই। দূরপাল্লার বাসভাড়া যে হারে কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে, তা প্রকৃতপক্ষে বাস্তবায়িত হবে না। ফলে জ্বালানির দাম কমার পরেও, প্রকৃতপক্ষে জনগণকে আগের হারেই বাসভাড়া দিতে হবে।
সিপিবি’র নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, সরকার অসাধু বাস-ট্রাকমালিকদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। জনগণের প্রতি সরকারের কোনো দায়বদ্ধতা নেই। সরকার যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তাতে জ্বালানির দাম কমার সুবিধা জনগণ পাবে না, সুবিধা পাবে বাসমালিকরা। প্রতিবছর ৯৯০ কোটি টাকা চলে যাবে জ্বালানি তেলে চালিত বাস ও ট্রাকের মালিকদের পকেটে।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ জ্বালানির দাম আরো কমানো এবং দূরপাল্লার পাশাপাশি ঢাকা-চট্টগ্রামসহ অভ্যন্তরীণ রুটে সঙ্গতিপূর্ণ, যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য হারে বাসভাড়া কমানোর দাবি জানান। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি