বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম নিরাপদ একটি দেশ-ডিসি সম্মেলনে মেনন

যুগবার্তা ডেস্কঃ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এমপি বলেছেন, বাংলাদেশ এখনও বিশ্বের অন্যতম নিরাপদ একটি দেশ। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলিজিয়ামের মত উন্নত দেশগুলোর আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে ফেলে জঙ্গী সন্স্রাসীরা একের পর এক আক্রমন চালাচ্ছে সে ক্ষেত্রে আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী সাফল্যের সাথে জঙ্গীদের অশুভ তৎপরতা নস্যাৎ করে দিচ্ছে।

তিনি বলেন, পর্যটকদের নিরপত্তায় সার্বক্ষণিক ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন আছে। এবং এ বাহিনীর পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। কতিপয় দেশের বাংলাদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে ‘ট্রাভেল এডভাইজারি জারির’ প্রসঙ্গে তিনি বলেন ট্যুরিস্টরা বাংলাদেশের অতিথি। আবহমানকাল ধরেই এ দেশের মানুষ অতিথিদের গ্রহণ করেছে সর্বোচ্ছ আন্তরিকতায়। এ দেশের আথিয়েতা সর্বত্র প্রশংশিত। সাম্প্রতিক ঘটনাসমূহ বিচ্ছিন্ন এ দেশের জগণের আকাংখার সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। তিনি পর্যটকদের নিরাপত্তা ও জঙ্গীবাদী তৎপরতা নস্যাত করে দিতে জেলা প্রশাসকদের সজাগ ও সচেতন থাকার আহ্বান জানান।
তিনি আজ বিকেলে মন্ত্রী পরিষদ কক্ষে জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০১৬ এ জেলা প্রশাকদের উদ্দেশে এ কথা বলেন। কেবিনেট সচিব সফিউল আলমের সভাপতিত্বে বিকেলের অধিবেশনে আরও বক্তৃতা করেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব এস এম গোলাম ফারুক, বস্ত্র ও পাট সচিব এম এ কাদের সরকার।
তিনি বলেন ২০১৬ পর্যটন শিল্পের প্রসার, প্রচার ও বিপণনের লক্ষ্যে প্রত্যেক জেলায় নিজস্ব জেলা ব্র্যান্ডিং এর জন্য শ্লোগানসহ লোগো নির্বাচন করা হচ্ছে এর মাধ্যমে ্য প্রতিটি জেলায় পর্যটন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে। পর্যটন একটি সম্বন্বিত কার্যক্রম অনেকগুলো মন্ত্রণালয় ও দপ্তর এতে সম্পৃক্ত। তৃণমূল পর্যায়ে এ কার্যক্রমে আরও গতিশীল করতে প্রত্যেক জেলায় পর্যটন কর্মকর্তা নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
রাশেদ খান মেনন বলেন, পর্যটনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রয়াসের স্বীকৃতি স্বরূপ জাতিসংগের পর্যটন বিষয়ক সম্মেলন এবং ওআইসির পর্যটন বিষয়ক সম্মেলন আগামী বছর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। এবং এ বছর পাটার (প্যাসিফিক এশিয়ান ট্রাভেলার্স এসোসিয়েশন) এ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম সম্মেলনও ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে।
মন্ত্রী বলেন, সরকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর নির্মাণ কাজ শুরু করেছে। এ বিমান বন্দর নির্মিত হলে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের এভিয়েশন যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাংলদেশ অন্যতম হাব এ পরিণত হবে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের থার্ড টার্মিনাল নির্মাণের কাজও অচিরেই শুরু হবে। ২০১৯ সালে থার্ড টার্মিনাল নির্মাণের কাজ শেষ হলে বছরে এ বিমান বন্দর দিয়ে ২৪ মিলিয়ন যাত্রী আসা-যাওয়া করতে পারবেন।