বাংলাদেশে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্থান হবে না-প্রধানমন্ত্রী

65

যুগবার্তা ডেস্কঃ বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। কিছু মানুষ এগিয়ে যাওয়াটা পছন্দ করেন না। তারা সন্ত্রাস ও বোমা মেরে দেশের উন্নয়ন ব্যহত করতে চান। হোসনী দালানে বোমা হামলায় যে ছেলেটি নিহত হয়েছে সে সিহা নয় সুন্নী। যারা বোমা হামলা করেছে তারা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করছে। এই জন্য দেশ থেকে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূল করতে সকলের সহযোগিতা লাগবে।
বুধবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মুন্সীগঞ্জে নির্মাণাধীন পদ্মার পানি শোধনাগার উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে প্রত্যেক জেলায় উন্নয়ন করেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিয়েছে। এখন প্রায় প্রত্যেকের হাতে মোবাইল ফোন রয়েছে। এ সবই আওয়ামী লীগ সরকারের অবদান। কিছু মানুষ রয়েছেন তাদের কাছে এসব পছন্দ হয় না। সেজন্য তারা গাড়ী পুড়িয়ে ফেলে। চলন্তবাসে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা করে।
আমাদের পানির চাহিদা বাড়ছে। ভবিষ্যৎ চাহিদা বাড়ানোর জন্য তাই বিভিন্ন এলাকায় পানি শোধনাগার গোপন করা হচ্ছে। সীমিত আকারে পানি ব্যবহার ও পানির সাশ্রয় করতেও জনগণের প্রতি আহবান জানান শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, পানির কল খুলে রেখে প্রতিদিন সকালে দাড়ি সেভ করে অনেক পানির অপচয় করা হয়। এটি না করে পানি সাশ্রয় ও পানির অপব্যবহার রোধ করা সম্ভব।
ঢাকার চারপাশের নদীগুলোতে ড্রেজিং করে পানিপ্রবাহ নির্বিঘœ রাখা, বৃষ্টির পানির যথাযথ ব্যবহারসহ পানির সরবরাহ বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, পানি ব্যবহারে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। অযথা পানি ব্যবহার করা যাবে না। বৃষ্টির সময় বৃষ্টির পানি ধরে রাখতে হবে। পানির অপচয় বন্ধ করলেই পানির বিল কমে আসবে।
বড়িগঞ্জ নদী রক্ষার প্রসঙ্গে প্রাধানমন্ত্রী বলেন, বুড়িগঞ্জ নদী রক্ষা করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যমুনা নদীর সঙ্গে যাতে বুড়িগঞ্জ নদীর যোগাযোগ থাকে সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ঢাকা সবচেয়ে জনবহুল নগরী। সেজন্য যানজট নিরসনের জন্য ফ্ল্যাইওভার নির্মাণ করা হয়েছে। যেখানে সেখানে গাড়ী পার্কিং করে রাখা যাবে না। আমাদের সময়.কম