বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় মুক্তির সংগ্রাম রুশ বিপ্লবের অনুপ্রেরণার ফসল-মেনন

যুগবার্তা ডেস্কঃ সাম্রাজ্যবাদের যুগে সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব আজও প্রাসঙ্গিক। সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবীই পৃথিবীর বুকে শোষিত মানুষ ও জাতিসমূহকে মুক্তির লড়াইয়ে অনুপ্রাণিত করেছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় মুক্তির লড়াই সেই অনুপ্রেরণারই ফসল। পুঁজিবাদী বিশ্বায়ন পৃথিবীর মানুষের উপর দুর্বিসহ বোঝা হিসেবে বসে আছে। এই অবস্থা থেকে মুক্তির একমাত্র পথ সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব। শুক্রবার এক আলোচনা সভায় কমরেড রাশেদ খান মেনন,এমপি উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন। বিকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে সেমিনার হল রুমে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির উদ্যোগে “রুশ বিপ্লবের শতবর্ষ সূচনা কর্মসূচি” শীর্ষক এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য কমরেড নুর আহমদ বকুলের সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আবুল বারকাত। বক্তব্য রাখেন ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড ফজলে হোসেন বাদশা, ড. সুশান্ত দাস, ড. শরীফ শমশির।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনে ড. বারকাত বলেন, শতবর্ষ আগের রুশ বিপ্লব ছিল মানবসভ্যতার ইতিহাসে সংগঠিত পথ-পন্থায় সাম্যবাদী সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রথম মহা-এক্সপেরিমেন্ট। এই এক্সপেরিমেন্ট দেখাতে সক্ষম হয়েছে যে সাম্যবাদী সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব এবং তা শর্তাধীনভাবেই সম্ভব। সাম্রাজ্যবাদের আধিপত্যের মধ্যে কোন একক দেশের পক্ষে তা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে সমাজতন্ত্রীদের আন্তর্জাতিক সংগঠন বিনির্মাণ প্রয়োজন। আলোচনা সভায় ফজলে হোসেন বাদশা বলেন- সাম্রাজ্যবাদের আগ্রাসন থেকে শ্রমজীবী মানুষ, জাতি ও রাষ্ট্রকে মুক্ত করতে হলে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের বিকল্প হতে পারে না। সেই বিপ্লবের মূল প্রেরণা হলো মহান রুশ বিপ্লব।
কমরেড ড. সুশান্ত দাস বলেন- অক্টোবর বিপ্লব মানব সভ্যতায় নব দিগন্তের যে সূচনা করেছে তার অভিঘাত কোন কালেই শেষ হবে না। এই বিপ্লব যুগে যুগে শ্রমজীবী মানুষের নতুন সংগ্রামের দিক নির্দেশনা।