‘বাংলাদেশের শিল্পকলায় বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক বক্তৃতা অনুষ্ঠিত

বিশ্বববিদ্যালয় প্রতিনিধি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর পিস এন্ড লিবার্টির উদ্যোগে ‘বঙ্গবন্ধু বক্তৃতামালা-১৩’ ২২ জুন বুধবার অধ্যাপক আবদুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর পিস এন্ড লিবার্টি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. ফকরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে “বাংলাদেশের শিল্পকলায় বঙ্গবন্ধু” শীর্ষক বক্তৃতা প্রদান করেন ইংরেজি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। বক্তৃতার ওপর আলোচনায় অংশ নেন চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসার হোসেন এবং বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আজিজুল হক।

অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অমর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, ‘বাংলাদেশের শিল্পকলায় বঙ্গবন্ধু স্বরূপেই আবির্ভূত, যদিও কোনো কোনো শিল্পী তাঁর রূপায়ণে প্রতীক-ইঙ্গিত-রূপকের সাহায্য নিয়েছেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর বঙ্গবন্ধুকে যখন ইতিহাস থেকে নির্বাসন দেয়ার একটা রাষ্ট্রীয় প্রয়াস শুরু হয়ে যায়, তখন কিছুদিনের জন্য তাঁর প্রতিকৃতি আঁকায় ছেদ পড়ে। তবে তখনও কোনো কোনো শিল্পী তাঁর ছবি এঁকে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, জীবন ও কর্ম এবং তাঁর অসাম্প্রদায়িকতা ও উদার মানবিকতা থেকে অনুপ্রেরণা নিয়েই বেশির ভাগ শিল্পী কাজ করেছেন। কিছু শিল্পী বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিকে প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবেও রূপায়ণ করেছেন। পঁচাত্তরের পর করা বঙ্গবন্ধুর রূপায়ণে প্রতিবাদটি ছিল অশুভ সেই শক্তির বিরুদ্ধে, যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল, সংবিধানের কাঁটাছেড়া করে অসাম্প্রদায়িকতাকে বিসর্জন দিয়েছিল এবং পাকিস্তান পন্থার পুন:প্রচলনের চেষ্টা করেছিল। যারা ভেতরের একটা অনুপ্রেরণা থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি এঁকেছেন, তারা তাঁর চারিত্রিক সত্যটাকেও অনুধাবনের চেষ্টা করেছেন।’ বাংলাদেশের শিল্পকলায় বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতি নিয়ে তরুণ গবেষক বা শিল্পলেখকগণ আরও গবেষণা করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।