বরিশালে পৃথক পাঁচটি সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-২ ॥ আহত-২৫

বরিশাল অফিস॥
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী ও এলাকায় বৃহস্পতিবার সকালে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষসহ পৃথক পাঁচটি দুর্ঘটনায় ২৫ জন আহত ও দুইজন নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহতদের শেবাচিম ও স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি মোঃ শাহাদৎ হোসেন জানান, পটুয়াখালী জেলার লোহালিয়া গ্রামের বাসিন্দা মোকলেস জমাদ্দারের পুত্র খলিলুর রহমান (২৬) মাদারীপুর থেকে বাসা বদল করে মালামাল নিয়ে নসিমনযোগে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। পথিমধ্যে বৃহস্পতিবার বেলা দুইটার দিকে মহাসড়কের কসবা মদিনা মসজিদ এলাকায় পৌঁছলে অজ্ঞাতনামা একটি যাত্রীবাহী বাস নসিমনকে ধাক্কা দেয়। এসময় নসিমন উল্টে মালামালের নিচে চাঁপা পড়ে ঘটনাস্থলেই খলিলুর রহমান মারা যান।
অপরদিকে সকাল সাড়ে আটটার দিকে গৌরনদীর মাহিলাড়া বাজারের সন্নিকটে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কুয়াকাটাগামী বেপারী পরিবহন বেপরোয়া গতিতে যাওয়ার সময় বরিশাল থেকে ছেড়ে আসা ভূরঘাটাগামী স্বর্না পরিবহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে বাস উল্টে গিয়ে মহাসড়কে পড়ে এক ঘন্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত স্বর্ণা পরিবনের চালক ফরহাদ ঘরামী রাঙ্গুকে আশংকাজনক অবস্থায় শেবাচিম হাসপাতালে ও আহত ১৭জনকে গৌরনদী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একইদিন দুপুরে মহাসড়কের কাসেমাবাদ এলাকায় নসিমন উল্টে দুইজন ও আশোকাঠী এলাকায় ঈজিবাইক উল্টে আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন। একইদিন দুপুরে ঠেলাগাড়িতে মালামাল বোঝাই করে নগরীর সিএন্ডবি রোডের নথুল্লুবাদ ব্রিজ দিয়ে নামার সময় ঠেলা গাড়িটির নিয়ন্ত্রন হারিয়ে উল্টে দিনমজুর বাচ্চু ফরাজী (৪০) গুরুতর আহত হয়। তাকে শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। বাচ্চু জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার গারুরিয়া এলাকার মান্নান ফরাজীর পুত্র।