প্রাননাশের হুমকিতে সাংবাদিক সম্মেলন

মোয়াজ্জেমহোসেন, (কলাপাড়া) পটুয়াখালীঃ বার বার প্রভাবশালীদের দ্বারা মাছ লুট, রেনু পোনা ধ্বংস করে আর্থিক ক্ষতিসহ জীবননাশের হুমকিতে দিশেহারা হয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে পটুয়াখালীর মহিপুর থানার ডাবলুগঞ্জ ইউনিয়নের রুপালী মৎস্য নার্সারী স্বত্তাধিকারী জাকির হোসেনসহ এলাকাবাসী। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে প্রভাবশালীদের এমন কর্মকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ এ প্রান্তিক মৎস্য চাষী বর্তমানে ন্যায় বিচারের আশায় দ্বারেদ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়নে এ সংবাদিক সম্মেলন লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন জাকির হোসেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বুধবার সকালে উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের মনসাতলী গ্রামের জাকির হোসেন হাওলাদার’র রুপালী মৎস্য নার্সারী থেকে প্রায় সাড়ে পাঁচ লক্ষ মাছ লুট করেছে সুলতান মৃধাসহ ২০-২১ জন ব্যক্তি। দীর্ঘ ২০/২১ বছর যাবৎ তিনি এই পেশা জড়িত। ২০১৭ সালে মো. মেনাজ উদ্দিন শিকদারের কাছ থেকে পাঁচ বছরের জন্য পুকুর লীজ নিয়ে এবং নিজস্ব পুকুরে যাহা ২৮নং জেএল মনসাতলী মৌজায় ১৩৯ ও ৮৮নং খতিয়ানের বিভিন্ন দাগে প্রায় তিন একর সম্পত্তির মধ্যে রুপালী নার্সারীর ব্যাবসা করিয়া আসছি। নার্সারী ব্যবসা লাভজনক দেখে একটি স্বার্থন্মেশী মহল যথাক্রমে- সুলতান মৃধা, পান্না ফরাজী, ইউসুফ খা, বশির মৃধা, রহমান মৃধা, মজিবর মৃধা, আবদুল হাই, ইয়াকুব তাং, শাহআলম প্যাদাসহ ২০/২১ জন দস্যু বাহিনী ২০০৩ সালে আমার কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে ক্ষতিসাধণ করার চেষ্টা করে। এছাড়াও ২০১৬ সালে একই ব্যক্তিরা আমার নিকট পুনরায় পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। আমি দিতে অপরগতা প্রকাশ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে আমার পুকুর থেকে ০৯/০১/২০১৬ তারিখে জাকিজাল ও বেড়জাল দ্বারা বিভিন্ন প্রজাতির ৯০-৯৫ হাজার টাকার মাছ ধরিয়া এবং মারিয়া আর্থিকভাবে ক্ষতিসাধন করে। এ ব্যপারে ডালবুগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ দায়ের করিলে, স্বাক্ষী প্রমানে তাহারা দোষী সাব্যস্থ হয়। কিন্তু এতে তারা ক্ষ্যান্ত না হয়ে বারবার আমার ক্ষতিসাধণসহ জীবননাশের চেষ্টা করে আসছে।
নার্সারী ও ঘের হতে মাছ ধরার ভিডিও চিত্র সংবাদকর্মীদের সামনে উপস্থাপন করে জাকির হোসেন লিখিত বক্তব্যে আরো বলেন, সর্বশেষ (২৬ সেপ্টেম্বর) বুধবার আমি বাড়ী না থাকার সুযোগে উপরোক্ত ব্যাক্তিরাসহ অজ্ঞাতনামা কিছু লোকজন জাকিজাল ও বেড়জাল নিয়া সকল ৯টা থেকে ১টা পর্যন্ত আমার নার্সারী ও ঘের থেকে মাছ ধরতে থাকে। সংবাদ পেয়ে মহিপুর থানায় অবগত করে, পুলিশ নিয়া ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। এসময় বিবাদীদের নেওয়া মাছের আলামত দেখতে পাই। তাহাতে বিবাদীরা আমার ঘেড় হইতে ২০টি পাটের বস্তা ভর্তি বড় মাছ নিয়া যায় এবং ৫/৭ ইঞ্চি অনুমান দুই লক্ষ পোনা মাছ পাতিল ভরিয়া সুলতান মৃধাসহ অন্যান্য বিবাদীদের পুকুরে ফেলে দেয়। তাহাতে আমার প্রায় তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন হয়।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ওয়ার্ল্ড ফিস কুয়াকাটা সংগঠনের (মৎস্য নার্সারার) সহ-সভাপতি মো. ফেরদৌস মুন্সী বলেন, জাকির ভাই একজন সফল মৎস্য নার্সারার। এর আগেও তার মাছ লুট করা হয়েছে। গত বুধবারও কয়েকজন মিলে তার মাছ লুট করে নিয়ে যায়। তিনি বিষয়টি এর আগেও অবগত করেছেন। পুকুরের মালিক মেনাজ সিকদার বলেন, জাকির হাওলাদারকে পাঁচ বছরের জন্য পুকুর লিজ দিয়েছি। কিছু দস্যু বাহিনী বারবার তার মাছ লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। এতে তিনি ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাউলে অভিযুক্ত সুলতান মৃধা মুঠোফোনে বলেন, জেলা পরিষদ সদস্য আসলাম হাওলাদার আমাদের ডেকে রুপালী মৎস্য নার্সারী থেকে মাছ ধরায় জন্য নির্দেশনা দিয়েছে। আমরা যে ঘের থেকে মাছ ধরেছি সেটার মালিক রমনী কুঞ্জ।
জেলা পরিষদ আসলাম হাওলাদার জানান, এবিষয়ে আমার কোন সম্পৃক্তা নাই। সুলতান যা বলেছে তা সম্পূর্ন মিথ্যা। তবে আমার জানা মতে ওই ঘেরের মালিক রমনী। মাছ চাষ করেছে রমনী। ধরেছেও সে নিজে। রমনীকে উৎখাত করার জন্য জাকিরসহ অন্যান্যরা জবর দখল করছে। এবিষয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হয়েছে।টুয়াখালীঃ বার বার প্রভাবশালীদের দ্বারা মাছ লুট, রেনু পোনা ধ্বংস করে আর্থিক ক্ষতিসহ জীবননাশের হুমকিতে দিশেহারা হয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে পটুয়াখালীর মহিপুর থানার ডাবলুগঞ্জ ইউনিয়নের রুপালী মৎস্য নার্সারী স্বত্তাধিকারী জাকির হোসেনসহ এলাকাবাসী। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে প্রভাবশালীদের এমন কর্মকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ এ প্রান্তিক মৎস্য চাষী বর্তমানে ন্যায় বিচারের আশায় দ্বারেদ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়নে এ সংবাদিক সম্মেলন লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন জাকির হোসেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বুধবার (২৬ সেপ্টম্বর) সকালে উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের মনসাতলী গ্রামের জাকির হোসেন হাওলাদার’র রুপালী মৎস্য নার্সারী থেকে প্রায় সাড়ে পাঁচ লক্ষ মাছ লুট করেছে সুলতান মৃধাসহ ২০-২১ জন ব্যক্তি। দীর্ঘ ২০/২১ বছর যাবৎ তিনি এই পেশা জড়িত। ২০১৭ সালে মো. মেনাজ উদ্দিন শিকদারের কাছ থেকে পাঁচ বছরের জন্য পুকুর লীজ নিয়ে এবং নিজস্ব পুকুরে যাহা ২৮নং জেএল মনসাতলী মৌজায় ১৩৯ ও ৮৮নং খতিয়ানের বিভিন্ন দাগে প্রায় তিন একর সম্পত্তির মধ্যে রুপালী নার্সারীর ব্যাবসা করিয়া আসছি। নার্সারী ব্যবসা লাভজনক দেখে একটি স্বার্থন্মেশী মহল যথাক্রমে- সুলতান মৃধা, পান্না ফরাজী, ইউসুফ খা, বশির মৃধা, রহমান মৃধা, মজিবর মৃধা, আবদুল হাই, ইয়াকুব তাং, শাহআলম প্যাদাসহ ২০/২১ জন দস্যু বাহিনী ২০০৩ সালে আমার কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে ক্ষতিসাধণ করার চেষ্টা করে। এছাড়াও ২০১৬ সালে একই ব্যক্তিরা আমার নিকট পুনরায় পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। আমি দিতে অপরগতা প্রকাশ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে আমার পুকুর থেকে ০৯/০১/২০১৬ তারিখে জাকিজাল ও বেড়জাল দ্বারা বিভিন্ন প্রজাতির ৯০-৯৫ হাজার টাকার মাছ ধরিয়া এবং মারিয়া আর্থিকভাবে ক্ষতিসাধন করে। এ ব্যপারে ডালবুগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ দায়ের করিলে, স্বাক্ষী প্রমানে তাহারা দোষী সাব্যস্থ হয়। কিন্তু এতে তারা ক্ষ্যান্ত না হয়ে বারবার আমার ক্ষতিসাধণসহ জীবননাশের চেষ্টা করে আসছে।
নার্সারী ও ঘের হতে মাছ ধরার ভিডিও চিত্র সংবাদকর্মীদের সামনে উপস্থাপন করে জাকির হোসেন লিখিত বক্তব্যে আরো বলেন, সর্বশেষ (২৬ সেপ্টেম্বর) বুধবার আমি বাড়ী না থাকার সুযোগে উপরোক্ত ব্যাক্তিরাসহ অজ্ঞাতনামা কিছু লোকজন জাকিজাল ও বেড়জাল নিয়া সকল ৯টা থেকে ১টা পর্যন্ত আমার নার্সারী ও ঘের থেকে মাছ ধরতে থাকে। সংবাদ পেয়ে মহিপুর থানায় অবগত করে, পুলিশ নিয়া ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। এসময় বিবাদীদের নেওয়া মাছের আলামত দেখতে পাই। তাহাতে বিবাদীরা আমার ঘেড় হইতে ২০টি পাটের বস্তা ভর্তি বড় মাছ নিয়া যায় এবং ৫/৭ ইঞ্চি অনুমান দুই লক্ষ পোনা মাছ পাতিল ভরিয়া সুলতান মৃধাসহ অন্যান্য বিবাদীদের পুকুরে ফেলে দেয়। তাহাতে আমার প্রায় তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন হয়।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ওয়ার্ল্ড ফিস কুয়াকাটা সংগঠনের (মৎস্য নার্সারার) সহ-সভাপতি মো. ফেরদৌস মুন্সী বলেন, জাকির ভাই একজন সফল মৎস্য নার্সারার। এর আগেও তার মাছ লুট করা হয়েছে। গত বুধবারও কয়েকজন মিলে তার মাছ লুট করে নিয়ে যায়। তিনি বিষয়টি এর আগেও অবগত করেছেন। পুকুরের মালিক মেনাজ সিকদার বলেন, জাকির হাওলাদারকে পাঁচ বছরের জন্য পুকুর লিজ দিয়েছি। কিছু দস্যু বাহিনী বারবার তার মাছ লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। এতে তিনি ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাউলে অভিযুক্ত সুলতান মৃধা মুঠোফোনে বলেন, জেলা পরিষদ সদস্য আসলাম হাওলাদার আমাদের ডেকে রুপালী মৎস্য নার্সারী থেকে মাছ ধরায় জন্য নির্দেশনা দিয়েছে। আমরা যে ঘের থেকে মাছ ধরেছি সেটার মালিক রমনী কুঞ্জ।
জেলা পরিষদ আসলাম হাওলাদার জানান, এবিষয়ে আমার কোন সম্পৃক্তা নাই। সুলতান যা বলেছে তা সম্পূর্ন মিথ্যা। তবে আমার জানা মতে ওই ঘেরের মালিক রমনী। মাছ চাষ করেছে রমনী। ধরেছেও সে নিজে। রমনীকে উৎখাত করার জন্য জাকিরসহ অন্যান্যরা জবর দখল করছে। এবিষয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হয়েছে।