Home জাতীয় প্রস্তাবিত কৃষি বাজেট: সংবিধান এবং বঙ্গবন্ধু’র দর্শণ বিরোধী

প্রস্তাবিত কৃষি বাজেট: সংবিধান এবং বঙ্গবন্ধু’র দর্শণ বিরোধী

43

ডেস্ক রিপোর্ট: জাতীয় কৃষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত কৃষি বাজেটকে সংবিধান ও বঙ্গবন্ধু’র দর্শন বিরোধী হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়। সভার প্রস্তাবে বলা হয়, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ১৩ (ক), (খ)-এ উদ্ধৃত রাষ্ট্রীয় মালিকানা ও সমবায়ের মালিকানাকে চালকের আসনে বসানোর লিপিবদ্ধ বিধান থাকলেও করোকালেও কৃষি বাজেট প্রস্তাবনায় সেই বিধান সংরক্ষণ করা হয়নি। প্রস্তাবিত কৃষি বাজেটে পুরানো ছকে কর্পোরেট পুঁজি, ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ও মধ্যস্বত্বভোগীদের স্বার্থ সংরক্ষণের পাকাপোক্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কৃষিতে এবছর বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে ২৪ হাজার ৯৪৮ কোটি টাকা।
গতবছর এ বরাদ্দ ছিল ২৪ হাজার ৬৮২ কোটি টাকা। বরাদ্দ বেড়েছে ২শ’ ২৬ কোটি টাকা। মুদ্রাস্ফীতির হিসেব কষলে গতবছরের চেয়েও চলতি অর্থবছরে কৃষি বাজেট বরাদ্দ কমেছে। করোনাকালে খাদ্য নিরাপত্তার ঝুঁকি এড়াতে দরকার ছিল অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ৬০ লাখ মে: টন ধান সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা। বাজেটে তা না রেখে ২২.৫৫ লাখ মে:টন চাল ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সংগ্রহের টার্গেট রাখা হয়েছে। সরকারিভাবে খাদ্যশস্য সংরক্ষণে ২০০ প্যাডিসাইলো নির্মাণের পূর্বপ্রতিশ্রুত ওয়াদা এবং তা ধান উৎপাদক সমবায়ী কৃষকের কাছ থেকে কেনার প্রশ্নে বাজেট নীরব থেকেছে। ফলে চালের মজুত ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের হাতে চলে যাবে। বাজারে বাড়বে চালের দাম। বাজেটে কৃষিযান্ত্রিকরণে কৃষিযন্ত্রের ক্রয়মূল্যের উপর ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত সহায়তার কথা বলা হয়েছে। কৃষিতে বঙ্গবন্ধু’র নির্দেশনামা মোতাবেক “সমবায়ী” ব্যবস্থাপনা গড়া না গেলে যান্ত্রিকীকরণের সুবিধা ধনী ও ব্যবসায়ীদের হাতে চলে যাবে।

মাহমুদুল হাসান মানিকের সভাপতিত্বে ৮ জুন মঙ্গলবার
বাজেট পর্যালোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম গোলাপ, কেন্দ্রীয় নেতা হাজী বশির, নজরুল ইসলাম হক্কানী, নজরুল ইসলাম, মজিবর রহমান, মহিবুল্লাহ মোড়ল, মিজানুর রহমান, আবুল কালাম, হবিবর রহমান, মোজাম্মেল হক, এ্যাড.ফিরোজ আলম, আব্দুল হক প্রমুখ।