প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব কাছাকাছি পদায়নের আহ্বান

59

যুগবার্তা ডেস্কঃ প্রাথমিক শিক্ষক অধিকার সুরক্ষা ফোরামের আহ্বায়ক মো. সিদ্দিকুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা, সদস্য ও ঢাকা মহানগরী আহ্বায়ক এম, এ ছিদ্দিক মিয়া, সদস্য রাজিয়া সুলতানা তরফদার এক যুক্ত বিবৃতিতে জানান, দীর্ঘ ৯ বছর পর সরকার প্রাথমিক শিক্ষায় তৃণমূলের প্রশাসনিক অচল অবস্থা দূরীকরণে সারা দেশে ১৭ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের শূন্য পদে চলিত দায়িত্ব পদায়ন করার ঘোষণায় মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা তরান্বিত হবে বলে নেতৃবৃন্দ আশাবাদী।
অথচ ২৩ মে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ঢাকা শহরের ৮৭ জন সহকারি শিক্ষককে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদে চলতি দায়িত্ব পদায়ন করে। এ পদায়ন মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষার অন্যতম চ্যালেঞ্জ বলে নেতৃবৃন্দ মনে করেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, দীর্ঘদিন পদোন্নতি বন্ধ থাকায় অধিকাংশরা ৫৫ বছরের অধিক বয়সের মহিলা। অনেকেই ২০১৭ সালের মধ্যে অবসর যাবেন। প্রজ্ঞাপনে শর্তের মধ্যে উল্লেখ করা আছে :- উক্ত চলতি দায়িত্ব প্রদানকে পদোন্নতি হিসাবে গণ্য করা যাবে না। চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকগণ নিজ বেতন স্কেল বেতন ভাতাদি আহরণ করবেন। পিএসসির সুপারিশের ভিত্তিতে পদোন্নতির মাধ্যমে শূন্যপদে পূরণযোগ্য এবং সেক্ষেত্রে চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত শিকক্ষক কোন অগ্রগণ্যতা বা অধিকার অর্জন করবে না। পদায়নকৃত শিক্ষকগণ আগামী ০১-০৬-২০১৭ তারিখের মধ্যে পদায়নকৃত কর্মস্থলে যোগদান করবে। অন্যথা ০৪-০৬-২০১৭ তারিখের বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত হয়েছেন মর্মে গণ্য হবেন।
অথচ তাঁদের পদায়নের কর্মস্থল ২/৩ থানার দূরত্বে কারণে কেউ কেউ চলতি দায়িত্ব থেকে অব্যহতি বা শেষ বয়সে শিক্ষকতা ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবছেন। অধিকাংশের কর্মস্থলে যেতে যাতায়াত বাবদ কমপক্ষে ২/৩শ’ টাকা খরচ হবে। দূর-দূরান্ত এক বা একাধিক যানবাহন পাল্টিয়ে সকাল সাড়ে ৭ টার পূর্বে কর্মস্থলে যোগদান করা দুরহ। যার ফলে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা অনেকটা প্রাণহীন হয়ে পড়বে। নেতৃবৃন্দ এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য ফলপ্রসু করার স্বার্থে তাদের যতদূর সম্ভব বাসস্থানের কাছাকাছি পদায়ানের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানান।