প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশের পর্যটন শিল্প উন্নয়নের কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাবেই- পর্যটন প্রতিমন্ত্রী

স্টাফ রিপোটার: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী এমপি বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প উন্নয়নের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাবেই।

আজ বিকেলে সোনারগাঁও হোটেলের উদ্যোগে “রি-ডিসকভার ঢাকা” শিরোনামে সিটি ট্যুর প্যাকেজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, আমাদের যে রিসোর্স আছে, যদি এটা সঠিক ভাবে ব্র‍্যান্ডিং করতে পারি, মানুষকে জানাতে পারি তাহলে আমাদের দেশ নিয়ে সারা বিশ্বে আগ্রহ বাড়বে। আজকের এই ট্যুরের মাধ্যমে বিদেশি পর্যটকেরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ঢাকা শহরে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি স্মারক এবং আমাদের ঐতিহাসিক স্থাপনাসমূহ সম্পর্কে জানতে পারবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের পর্যটন শিল্পের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ প্রায় সমাপ্তির পথে। এবছরের ডিসেম্বর মাসে এই মহাপরিকল্পনার কাজ সমাপ্ত হবে। পর্যটন মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের পর্যটন শিল্পের সামগ্রিক ও পরিকল্পিত উন্নয়নের কাজ করা হবে। বাংলাদেশের পর্যটনের উন্নয়ন নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যে স্বপ্ন ছিল তা বাস্তবায়ন করা হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোকাম্মেল হোসেন বলেন, জাতির পিতা পর্যটনের ভিত্তি গড়ে দিয়ে গেছেন। আমার পর্যটন শিল্পের বিকাশের জন্য কাজ করছি। পর্যটনে মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে। ৪০০ বছরের পুরানো ঢাকাকে আমরা তুলে ধরতে চাই।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের কিউরেটর ও সাবেক সচিব নজরুল ইসলাম খান,হোটেল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মোঃ আমিনুর রহমান, বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম এম মোয়াজ্জেম হোসেন এবং হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও এর ভারপ্রাপ্ত জেনারেল ম্যানেজার আসিফ আহমেদ।

উল্লেখ্য, হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও কর্তৃক আয়োজিত এই সিটি ট্যুরে দেশি-বিদেশি সকল পর্যটক অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর বাসভবন এই ট্যুরের প্রধান আকর্ষণ। বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহ্য বহনকারী ঢাকার অন্যান্য দর্শনীয় স্থান যেমন – জাতীয় জাদুঘর, বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর ও শহীদ মিনার এই ট্যুরের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বাংলাদেশী পর্যটকদের টিকিটের জন্য জনপ্রতি ৪,৫০০ টাকা এবং বিদেশি পর্যটকদের টিকিটের জন্য জনপ্রতি ৫,০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। টিকিটের এই মুলোর মধ্যেই বিভিন্ন ঐতিহাসিক এবং দর্শনীয় স্থান ভ্রমণের পাশাপাশি পর্যটকদের জন্য অনবোর্ড স্ন্যাক্সসহ দুপুরের অথবা রাতের খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে।