Home জাতীয় পাবলিক স্পেসে তো একটু যৌনসন্ত্রাসের শিকার তো হতেই হয়

পাবলিক স্পেসে তো একটু যৌনসন্ত্রাসের শিকার তো হতেই হয়

65

ডেস্ক রিপোর্ট: আমাদের দেশে নারীদের পাবলিক কিংবা ওপেন স্পেসের সুবিধার ভোগের সময় নানা বৈষম্যের শিকার হতে হয়। নারীরা নিজেদের পেশাগত কাজের তাগিদে প্রায়শই পাবলিক স্পেসে যাচ্ছেন, তবে সেখানে তাকে রোজ হতে হচ্ছে নানা সমস্যার শিকার। কখনো মৌখিকভাবে নারীরা হ্যারাসমেন্টের শিকার হচ্ছেন, কখনো বা হচ্ছেন শারীরিকভাবে। কখনো বা অনেক নারী মেনেই নিতে বাধ্য হচ্ছেন যে- “পাবলিক স্পেসে তো একটু ইভটিজিং ও মৌখিক যৌনসন্ত্রাসের শিকার তো হতেই হয়।” এসব জেন্ডার ভিত্তিক অসমতা এবং এ বিষয়ে যুবনারীদের ভাবনা জানতেই সাহসী কন্যা ২জুন (বুধবার) বেলা ১২টায় জুমে ভার্চুয়াল গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করেছেন। এই আয়োজনটি গার্লস গেট ইকুয়াল ফ্রিডম ইন পাবলিক স্পেসেস- সেফার সিটিস ক্যাম্পেইনের অংশ ছিল, যার সহায়তায় ছিলেন প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ। আলোচনাটির সঞ্চালনায় ছিলেন রেনেকা আহমেদ অন্তু, ইয়ুথ অ্যাডমিনিস্টেট্রর অফ সাহসী কন্যা এবং আলোচক হিসেবে যুক্ত ছিল রাজধানীর বিভিন্ন পাবলিক স্পেস নিয়মিত ব্যবহার করা পনেরজন ভিন্নভিন্ন বয়সের যুব নারী।

আলোচনাতে প্রথমেই সবার পরিচয় পর্বের পর জানতে চাওয়া হয়- “নগরের ওপেন স্পেসে নারীদের সুবিধাভোগের প্রবেশাধিকারের কথা, জানতে চাওয়া হয় এসব সুবিধাভোগে কি নারীদের কেবল নিজেদের জেন্ডার পরিচয়ের জন্য কোনো বিশেষ সমস্যা পোহাতে হয় কিনা?” এসময় আলোচকরা এক এক করে বিভিন্ন পাব্লিক/ ওপেন স্পেসে নারীদের প্রবেশাধিকার না থাকার অলিখিত বাস্তবতার কথা জানান। এসময় আলোচক এক যুবনারী, ওপেন স্পেসে যাবার পূর্বে নারীদের পারিবারিক নিষেধাজ্ঞার কথা জানান। তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করে, কেন পরিবার নারী এবং কন্যাশিশুদের বাহিরে যাবার বেলায় জেন্ডার বৈষম্যের শিকার হতে হয়। জানান- ওপেন স্পেসে নারীদের দৃশ্যতা/উপস্থিতি কম থাকার কথাও। এ পর্যায়ে আরেক আলোচক জানান- সামাজিক অলিখিত নিয়মাবলীর কথা। জানান যে –“সমাজ সবসময় বিনোদনের জন্য নারীর বাহিরে যাওয়াকে এক প্রকার “মন্দ” ব্যাপার বলেই শিখিয়েত এসেছে। তাই নগরের পার্ক, খেলার মাঠগুলো নারীবান্ধব হয় খুব কম।” এসময় সকল আলোচকরাই নগরে খেলাধুলার জন্য নারীবান্ধব ওপেন স্পেসের অনুপস্থিতির কথা জানান। অনেকে সরাসরি খেলা দেখার উদ্দেশ্যে দর্শক হওয়ার বিড়ম্বনার নানা অভিজ্ঞিতার কথাও বলেন। হাইলাইট করেন, মৌখিকভাবে যৌন সন্ত্রাসের শিকার হবার ঘটনাগুলোও। আলোচনায় অংশগ্রহনকারী কয়েকজন কন্যাশিশু তাদের নানা স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে অংশগ্রহনের সময় সামাজিক বাধার কথা জানান।