পর্যটন বর্ষ উপলক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রুজ শীপ’র বাংলাদেশে প্রবেশ

71

যুগবার্তা ডেস্কঃ ২০১৬ পর্যটনবর্ষ উপলক্ষে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক ক্রুজ শীপ ‘সিলভার সী ক্রুজ’ প্রথমবারের মত বাংলাদেশে প্রবেশ করতে যাচ্ছে।
সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এমপি’র সভাপতিত্বে এক বৈঠকে ক্রুজ শিপটির বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ জলসীমায় প্রবেশ এবং বর্হিগমনের ক্ষেত্রে পর্যটকদের অন এরাইভাল ভিসা, অন বোর্ড ইমগ্রেশন এন্ড কাস্টমস কার্যক্রম সম্পাদন এবং এ উদ্যোগকে সফল করতে সরকারি ও বেসরকারি স্টেক হোল্ডারদের নিয়ে একটি টাস্ক ফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ তারিখে ক্রুজ শীপটি শ্রীলংকার কলম্বো থেকে রওনা হয়ে ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ আন্দামান হয়ে চট্টগ্রাম দিয়ে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করবে। এর রুট হবে (১) কলম্বো-চট্টগ্রাম-কলকাতা এবং (২) কোলকাতা-ঢাকা-ফুকেট। শীপটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কয়েকটি পর্যটক আকর্ষণীয় স্থান চট্টগ্রাম, বাঙামাটি পার্বত্য জেলা, মহেষখালী ও সুন্দরবন ভ্রমণ করবে। ক্রুজ শীপে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়েনে বিভিন্ন দেশের ১০০ জন অতিথি থাকবেন। এটি ২৫ ফেব্রুয়ারি সুন্দরবন ভ্রমণ শেষে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা হবে। একইভাবে শীপটি অপর একটি গ্রুপ নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে ০১ মার্চ ২০১৭ তারিখে সুন্দরবন দিয়ে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করবে। বাংলাদেশের বিভিন্ন আকর্ষণীয় স্থান ভ্রমণ শেষে জাহাজটি ৫ মার্চ চট্টগ্রাম থেকে ফুকেটের উদ্দেশ্যে রওনা হবে। ট্যুর অপারেটর প্রতিষ্ঠান জার্নি প্লাসের সহায়তায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে।
বৈঠকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এমপি বলেন, পর্যটন বর্ষ-২০১৬ উপলক্ষে ‘ভিজিট বাংলাদেশ’ প্রোগ্রামকে সফল করতে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সাথে সমুদ্র ও নৌ যোগাযোগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, এটি বাংলাদেশে আসতে পর্যটকদের উৎসাহি করবে। তিনি ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে অত্যন্ত যত্মের সাথে দায়িত্ব পালনের এবং অতিথিদের আন্তরিক স্বাগত জানিয়ে হাসিমুখে বরণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান।
বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের সচিব এসএম গোলাম ফারুক, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল খালেদ ইকবাল, মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল রিয়াজউদ্দীন আহমেদ, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রফিকুজ্জামান, স্বপন কুমার সরকার, বিটিবি’র সিইও আখতারুজজামান খান কবির, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর এম জাকিউর রহমান ভূঁইয়াসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।