পর্যটনের জন্য স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয় তৈরির দাবি

ডেস্ক রিপোর্ট: করোন সংক্রমণ থেকে নিজ ও অন্যকে রক্ষা করতে এবং করোনা সংকট থেকে পর্যটন শিল্প কে রক্ষা করার জন্য স্বাস্থ্যবিধি পালনের গুরুত্ব তুলে ধরে পর্যটক ও পর্যটন কর্মীদের স্বাস্থ্যবিধি পালনে উদ্বুদ্ধ করতে “বাংলাদেশ ট্যুরিজম এন্ড হোটেলস ওয়ার্কার্স – এমপ্লয়িজ ফেডারেশন” আজ ২৩ জানুয়ারী বিকাল-৪টায়, কক্সবাজার লাবনী পয়েন্টে মাস্ক ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচী আয়োজন করে। “বাংলাদেশ ট্যুরিজম এন্ড হোটেলস ওয়ার্কার্স – এমপ্লয়িজ ফেডারেশন” কক্সবাজার জেলা কমিটির সভাপতি লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদ রোকন উদ্দিন আহমেদ রাকিব এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কর্মসূচীতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, “বাংলাদেশ ট্যুরিজম এন্ড হোটেলস ওয়ার্কার্স – এমপ্লয়িজ ফেডারেশন” এর যুগ্ম আহবায়ক মহিউদ্দিন রিমেল, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সম্মানিত সহকারি কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মুরাদ ইসলাম, জেলা টুরিষ্ট পুলিশের পক্ষে ইন্সেপেক্টার মাহফুজুর রহমান, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের পক্ষে হোটেল শৈবাল এর ব্যবস্থাপক মো; হারুন-অর-রশিদ, বক্তব্য রাখেন “বাংলাদেশ ট্যুরিজম এন্ড হোটেলস ওয়ার্কার্স – এমপ্লয়িজ ফেডারেশন” কক্সবাজার জেলা কমিটির কার্যকরী সভাপতি মো: আবদুস সামাদ শেফ, সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম, সহ-সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ ও মো: শফি, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুস সাকিব, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান হোসেন নবী ও মো: জামাল, অর্থ সম্পাদক নুরুল হুদা, দপ্তর সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো: মান্নান, সহ-প্রচার সম্পাদক হুমায়ুন কবির, আইন ও শিক্ষা সম্পাদক রেদোয়ান খান, ট্রেড ইউনিয়ন সমন্বয়ক ইয়াসির আরাফাত সাগর, ক্রীড়া সম্পাদক আজম ফারুক সোহেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আতিক নুর, মহিলা সম্পাদিকা সালমা আক্তার প্রমুখ। নেতৃবৃন্দ পর্যটক এবং পর্যটন কর্মীদের স্বাস্থ্যবিধি পালনের আহবান জানিয়ে বলেন, করোনা মহামারির কারণে বিগত দুইটি বৎসর পর্যটন কর্মীদের কাছে ছিল দুঃস্বপ্নের মত। চাকরি এবং উপার্জন হারিয়ে হাজার হাজার পর্যটন কর্মীদের মানবেতর জীবনযাপন করতে হয়েছে। মাননীয় সরকার প্রধান শ্রমজীবীদের রক্ষায় লক্ষাধিক কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করলেও তথ্যের অভাবে পর্যটন কর্মীদের হাতে তা পৌঁছাইনি। তাই পর্যটন কর্মীদের একটি ডাটাবেজ তৈরী করা হলে তা তাদের সুরক্ষা পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করবে। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, আমাদের প্রিয় দেশ সৌন্দর্য্যরে রাণী। সরকারের পরিকল্পিত পদক্ষেপে পর্যটন হতে পারে বাংলাদেশের বৈদেশিক মূদ্রা অর্জন এবং শিক্ষিত ও দক্ষ কর্মীদের কর্মসংস্থানের প্রধান উৎস। আর পর্যটন শিল্পের বিকাশের প্রধান শর্ত হলো “বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়” থেকে পৃথক করে পর্যটনের জন্য স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয় গঠন করা এবং পর্যটন কর্মীদের সংগঠিত হওয়া ও দরকষাকষির স্বাধিনতা নিশ্চিত করা। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, করোনায় পর্যটক সমাগম কমে যাওয়ায় পর্যটন কর্মীরা আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। তাই ক্ষতিগ্রস্থ কর্মীদের আয় পুরণে আপৎকালিন সহযোগিতা এবং নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের রেশনিং এর ব্যবস্থা করা জরুরি। নেতৃবৃন্দ পর্যটন কর্মীদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, পর্যটকরা আমাদের মেহমান। কোন পর্যটক স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করলে বিনয়ের সাথে তাকে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করার প্রয়োজনিয়তা স্মরণ করিয়ে দিতে হবে এবং সম্ভব হলে তার হাতে একটি মাস্ক ধরিয়ে দিতে হবে। নেতৃবৃন্দ, পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে আরো বেশি দায়িত্বশীল হওয়ার আহবান জানান।