নেথোয়াই মারমাকে হত্যার ঘটনায় জনসংহতি সমিতির বিবৃতি

ডেস্ক রিপোর্ট: গত ১৬ অক্টোবর রাতে রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলাধীন চিৎমরমের আগাপাড়ায় আওয়ামীলীগের চিৎমরম ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি এবং চিৎমরম ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নেথোয়াই মারমাকে গুলি করে হত্যার সংবাদ জনসংহতি সমিতির গোচুরীভূত হয়েছে।

এটা আশ্চর্যজনক যে, ঘটনার যথাযথ তদন্ত না করেই উক্ত ঘটনা ঘটার সাথে সাথে ঘটনার জন্য জনসংহতি সমিতিকে দায়ী করে আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী মুছা মাতব্বর এবং কাপ্তাই উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অংশু সাইন চৌধুরী বিবৃতি দিয়েছেন, যা বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকা ও অনলাইন নিউজপোর্টালে প্রকাশিত হয়েছে।

উক্ত ঘটনায় জনসংহতি সমিতিকে দায়ী করে আওয়ামীলীগের দেয়া উক্ত বিবৃতি সর্বৈব মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য-প্রণোদিত। জনসংহতি সমিতি এধরনের কোন হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার প্রশ্নই আসে না। বস্তুত পার্বত্য চট্টগ্রামে কোন ঘটনা ঘটলেই জনসংহতি সমিতিকে দায়ী করা ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ, প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীর আজ অভ্যাসে পরিণত হয়েছে বলে বলা যায়।

অথচ ১৮ অক্টোবর পার্বত্যনিউজ.কমের এক সংবাদে বলা হয় যে, “ঐদিন রাত ১২টার পর মগপার্টি নামে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল বাড়িতে ঢুকে গুলি করে হত্যা করে। এবং পরিবারের লোকজনকে বেদম প্রহার করে তাদের মোবাইল নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় তারা উল্লাস করতে থাকে বলে জানা যায়।”

নেথোয়াই মারমাকে হত্যার ঘটনার জন্য উদ্দেশ্য-প্রণোদিতভাবে জনসংহতি সমিতিকে দায়ী করে আওয়ামীলীগের বিবৃতি প্রদানে জনসংহতি সমিতি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। সেই সাথে জনসংহতি সমিতি নেথোয়াই মারমার হত্যাকান্ডের ঘটনা যথাযথ তদন্ত পূর্বক দোষী ব্যক্তিদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের দাবি জানাচ্ছে।