নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃবৃন্দের সাক্ষাত

58

যুগবার্তা ডেস্কঃ প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নির্দিষ্ট কিছু অনিয়মের বিষয়ে তুলে তার বিহিত করা এবং দুই নির্বাচনের অভিজ্ঞতার আলোকে পরবর্তী নির্বাচনগুলোতে কমিশনের প্রকৃত ক্ষমতা ব্যাবহারের আহ্বান জানিয়েছেন ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃবৃন্দ। আজ বিকেলে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেননের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনার জনাব রকিবুল হাসানের সাথে সাক্ষাৎ করে এই আহ্বান জানান। প্রতিনিধি দলে পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড ফজলে হোসেন বাদশা ও পলিটব্যুরো সদস্য কমরেড কামরূল আহসান উপস্থিত ছিলেন এবং নির্বাচন কমিশনের সহকারি সচিব রাজিব আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। কমরেড রাশেদ খান মেনন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের উদ্দেশ্যে বলেন একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী নির্বাচন কমিশনের জন্য আমরা দীর্ঘ লড়াই করেছি, আপনারা সেই সংগ্রামের অর্জন। আপনারা ব্যর্থ হোন এটা আমরা চাই না। কিন্তু এই নির্বাচনে যা ঘটছে তা হলো ন্যাক্কারজনক; ব্যালটে সীল মেরে বাক্সে ভরার মহোৎসব। স্থানীয় প্রসাশনের সহায়তায় একটি নির্দিস্ট দলের প্রার্থীকে জিতিয়ে দেয়ার জন্য অন্য প্রার্থী ও সমার্থকদের ভয়ভীতি, মারধর, বাড়ী ঘরে হামলা চালিয়ে ভোটে অংশ নিতে বাধাগ্রস্থ করা হয়েছে। এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিতদের কাছে অভিযোগ করেও কোন ফল পাওয়া যায় নি। কোথাও কোথাও পুলিশ ও নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি কর্মকর্তারা বিরোধী দলের প্রার্থীদের অবরুদ্ধে করে রেখে নির্বাচনে বাধাগ্রস্থ করেছে। কমরেড মেনন বলেন, নির্বাচন কমিশনই হলো নির্বাচন পরিচালনার অভিভাবক। তারা নির্বাচন পরিচালনায় দৃঢ় ও কঠোর হলে এবং দায়িত্ব পালনে অনিয়ম ও অবহেলার জন্য সরকারি কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে জনগণ তার ভোট নিরাপদে দিতে পারতো। কিন্তু ঐ দুই নির্বাচনে যা হলো তাতে জনগণ আস্থা হারাবে। তিনি জনগণের ভোটের অধিকার নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলছে তাদের বিরুদ্ধে কমিশনের ক্ষমতা প্রয়োগের আহ্বান জানান। কমরেড ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, প্রার্থীদের নিরাপত্তা নেই। আমাদের প্রার্থীর নির্বাচনে দাঁড়িয়ে যেন মহা অপরাধ করেছে। নৌকা প্রতিকের সমর্থকদের হামলায় আহত অনেকেই এখন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। অনেকেই হামালার ভয়ে বাড়ীতে থাকতে পারছেন না। কমরেড মেনন নির্বাচন ও জনগণের ভোট প্রদানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে পরবর্তী নির্বাচনগুলো ভয়ভীতিমুক্ত, অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের প্রতি আহ্বান জানান।