নালিতাবাড়ীতে অগ্নিকান্ডে ১১ দোকান পুড়ে ছাই।

আনিছ আহমেদ শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুরের নালিতাবাড়ী পৌরশহরে দক্ষিন বাজার এলাকায় ১ জুলাই শুক্রবার ভোররাত ৪টায় কাচামাল আড়তের ১৩টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ল’ চেম্বার, ৪টি মোটর সাইকেল দোকানসহ আগুনে পুড়ে ছাই। আগুনে এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানায়, শুক্রবার ভোররাত আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে বজ্রপাতের সাথে মুসল ধারে বৃষ্টিপাত শুরু হয়। এর কিছুক্ষণ পরই আকস্মিকভাবে তারাগঞ্জ দক্ষিণ বাজার কাঁচামালের আড়তদারদের মার্কেটে আগুন জ্বলতে থাকে। মুহুর্তেই কয়েকটি দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর শহরের কমিউনিটি পুলিশ এবং আশপাশের মানুষ টের পান। এসময় তাদের ডাকাডাকিতে আশপাশের আরও লোকজন ছুটে আসেন আগুন নেভাতে। ব্যাপক আগুনে ১০/১৫ মিনিটে সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এসময় ফায়ার সার্ভিসও আসে।
আগুনে গৌতম সরকার, কাচামাল, শিশির দাশ ইলেকট্রিক, রতন চন্দ্র মুদি, গোপাল মেকার, লন্ডি বদি মিয়া, রতন সাহা মিল, ইসমাইল মিল, জয়নাল মিল, রফোজ মিল, আঃ হাই মিলসহ গৌতম এর ২টি নতুন মোটর সাইকেল, রতন সরকারের ১টি মোটর সাইকেলসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আগুনে ভস্মিভূত হয়।
এসব দোকানের মধ্যে অনেকের নগদ টাকা, এ্যাড: দিপুর ল’ চেম্বার, চারটি মোটরসাইকেল, চারটি রাইস মিল, মশলা ভাঙার মিল, পিঁয়াজ-রসুন-আলুর আড়ত, গরম মশলার পাইকারী দোকান, ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রীর দোকান, মুদী ও লন্ডীর দোকান সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দাড়ায় প্রায় এক কোটি টাকার উপরে। এই ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে সর্বস্ব হারিয়ে অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন।
ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী মহিল চন্দ্র দাশ বলেন, আমি দোকানের কাজ সেরে রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ীতে চলে যাই। দোকানে ২০ হাজার টাকাও রেখে এসেছিলাম । সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ব্যবসায়ী আমিনুর রহমান জানান, বজ্রপাতের পর ইলেক্ট্রিক বা কোন সরঞ্জামে শর্টসার্কিট হয়ে আগুনের সূত্রপাত ঘটতে পারে।
নালিতাবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন কর্মকর্তা মোঃ আঃ মালেক বলেন, আমরা খবর পাওয়া মাত্রই দ্রুত ঘটনা স্থলে গেছি। তবে বৈদ্যুতিক সর্টসার্কিটের আগুন হতে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।