নাটোরে টানা বৃষ্টিতে তরমুজ-বাঙ্গীর ব্যাপক ক্ষতি

মোল্লা মোঃ এমরান আলী রানা,নাটোরঃ
জেলার গুরুদাসপুরে টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষন ও অপরিকল্পিত অবৈধ পুকুর খননের কারনে তরমুজ-বাঙ্গী পানিতে ডুবে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। কয়েক দিনের বৃষ্টির পানিতে পুরো ফসলের ক্ষেত ডুবে যাওয়ায় কৃষকের স্বপ্ন ভেসে গেছে বৃষ্টির পানিতে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার শিধুলী, উদবাড়িয়া, চরকাদাহ,পাঁচশিষা, নারীবাড়ি, চলনালী, পোয়ালশুড়াসহ প্রায় ২০ গ্রামের মাঠে বৃষ্টির পানির উপরে তরমুজ-বাঙ্গী ভেসে আছে। বৃষ্টির কারনে জমিতে পানি আটকে থাকায় তরমুজ-বাঙ্গির পঁচন ধরেছে। তরমুজ-বাঙ্গীর গাছ লালচে হলুদ হয়ে মারা যাচ্ছে। অতিবৃষ্টি এখন কৃসকের মাতায় হাত। কি করে মহাজনের টাকা পরিশোধ করবে সেই চিন্তায় করছে কৃষকরা। শিধুলী গ্রামের কৃষক নাজমুলকে তরমুজ-বাঙ্গীর এমন অবস্থায় দেখে মাঠেই কাঁদতে দেখা গেছে।
কৃষক ফরহাদ আলী জানান, ভাল দাম পাওয়ার আশা সাড়ে ৪ বিঘা জমিতে তরমুজ-বাঙ্গীর আবাদ করেছি। অতি বৃষ্টির কারনে সব পঁচে নষ্ট হয়ে গেছে। এখন মহাজনের টাকা কিভাবে পরিশোধ করবো।
চলনালী গ্রামের কৃষক আসাদ বলেন, গত বছর দুই বিঘা জমিতে এক লক্ষ টাকার বাঙ্গী-তরমুজ বিক্রি করেছিলাম। এবার টানা বৃষ্টিতে সব শেষ হয়ে গেছে। খরচের টাকা তুলা সম্ভব হবে না।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্ত মোঃ আব্দুল করিম জানান, অতি বৃষ্টির কারনে ক্ষতি হয়েছে। তবে যত্রতত্র পুকুর খননও এর জন্য কিছুটা দায়ী।