ধর্মান্ধ জঙ্গিবাদী গোষ্ঠীর তৎপরতা রুখতে সরকারকে কঠোর হতে হবে—ওয়ার্কার্স পার্টি

75

চট্টগ্রাম পুলিশ অফিসারের স্ত্রী মাহমুদা খাতুন মিতু ও নাটোরের খৃষ্টান ধর্মালম্বী স্বল্পপুঁজির ব্যবসায়ী সুনিল দানিয়েল গোমেজকে হত্যার প্রতিবাদে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেনন ও সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এক নিম্ন লিখিত বিবৃতি প্রদান করেন।
“সরকারকে বিব্রত ও অস্থিতিশীল করে তুলতে বিএনপি-জামাত সহ সকল ধর্মান্ধ জঙ্গিবাদী গোষ্ঠীর অব্যাহত তৎপরতার অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের নবনিযুক্ত এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু এবং নাটোরের খৃষ্টান ধর্মের মানুষ স্বল্পপুঁজির ব্যবসায়ী সুনিল দানিয়েল গোমেজকে হত্যা করা হলো এবং সন্ত্রাসীরা একজন কর্মনিষ্ঠ জঙ্গি তৎপরতা প্রতিরোধকারী সাহসী পুলিশ অফিসারের স্ত্রীকে হত্যা করার মধ্য দিয়ে পুনরায় পুলিশ বাহিনীর মনোবল ভেঙ্গে দেওয়ার মনস্তাতিক কৌশল অবলম্বন করলো। খৃষ্টান ধর্মের মানুষ হত্যার মধ্য দিয়ে সংখ্যালঘু ধর্মের মানুষেরা যে নিরাপত্তা হীনতায় আছে এবং খৃষ্টান ধর্মালম্বীসহ অন্য ধর্মের মানুষের জন্য বাংলাদেশ যে নিরাপদ নয় সে বার্তাটিও তারা দিতে চেয়েছে। ধর্মান্ধ সন্ত্রাসী দেশী জঙ্গিবাদী গোষ্ঠীর এই তৎপরতা রুখতে সরকারকে যেমন আরো কঠোর হতে হবে তেমনি, অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সকল রাজনৈতিক দল, বুদ্ধিজীবী পেশাজীবী সামাজিক মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। পুলিশ প্রশাসনের দিক থেকে “বিচ্ছিন্ন ঘটনা” বলে বিবৃতি প্রদান করে গা বাচানো কোন চেষ্টা জনগণ মেনে নেবে না। ওয়ার্কার্স পার্টি পরিষ্কার ভাবেই মনে করে বাংলাদেশকে যখন প্রবৃদ্ধি উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সমাপ্ত হচ্ছে তখন সা¤্রাজ্যবাদী শক্তিসহ মৌলবাদী ধর্মান্ধ গোষ্ঠী সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। পুলিশ ও আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে পূর্ণ মনোবল নিয়ে ঐ ঘাতক শক্তির মূল উপড়ে দিতে সর্বাত্মক চেষ্টা নিতে হবে। খুনীদের গ্রেফতার করে বিচার করতে হবে।”
বিবৃতিতে পুলিশ অফিসার বাবুল আক্তারের দেশপ্রেমের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁকে ও তার পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানানো হয়। একই সাথে নিহত ব্যবসায়ী সুনিল দানিয়েল গোমেজের পরিবারের প্রতিও শোক ও সমবেদনা জানানো হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি