দক্ষিণাঞ্চলের জানমাল রক্ষার লক্ষ্যে টেকনাফ থেকে সাতক্ষীরা পর্যন্ত বেরীবাধ নির্মাণের দাবীতে সমাবেশ

126

যুগবার্তা ডেস্কঃ ১২ নভেম্বর ১৯৭০ সালে বৃহত্তর বরিশাল ও নোয়াখালীতে ঘূর্ণিঝড় ও জলো”ছাসে প্রায় ১০ লক্ষ লোক নিহত হয়, ২৯ এপ্রিল ১৯৯১ সালে বৃহত্তর চট্টগ্রামে ঘূর্ণিঝড় ও জলো”ছাসে ১০ হাজার লোক নিহত হয়, ১৩ নভেম্বর ২০০৭ সালে পটুয়াখালী ও বড়গুনা জেলায় জলো”ছাসে ৫ হাজার লোক নিহত হয় ও ১৪ নভেম্বর ২০০৮ সালে সাতক্ষীরায় আইলায় ৭ হাজার লোক নিহত হয় এবং প্রায় লক্ষকোটি টাকার ফসল ধন-সম্পদের ক্ষতি হয়। নিহতদের স্মরণে জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ ও ন্যাপ ভাসানী যৌথভাবে এক সমাবেশের আয়োজন করেছে। বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করনে ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান মোসতাক আহমেদ ভাসানী
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদ সদস্য ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক, এডভোকেট তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদ সদস্য ও মহিলা আওয়ামী লীগ নেতা বেগম নাসিমা ফেরদৌসি, সাবেক সচিব বিনিয়োগ বোর্ডের চেয়ারম্যান ও পিএসসির সদস্য ইতিহাসবিদ সিরাজ উদ্দীন আহমেদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম.এ জলিল, আওয়ামী লীগ নেতা এডভোকেট বলরাম পোদ্দার, এম.এ করিম ও আ.স.ম. মোস্তফা কামাল, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা, জাসদ নেতা হুমায়ুন কবির, মুক্তিযোদ্ধা পল্লী সোসাইটির সভাপতি আলমগীর শেখ সমবায় লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন মোল্লা, কবি শাহনাজ পারভিন, ন্যাপ ভাসানীর নেতা এস.এম মনজু ও জাসদ নেতা শহীদ হায়াত।
প্রধান অতিথির ভাষণে তালুকাদার মোহাম্মদ ইউনুস এমপি বলেন, বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২২টি জেলার জানমাল রক্ষার জন্য যে দাবীটি জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ ও ন্যাপ ভাসানী উত্থাপন করেছেন সেই দাবীটি হলো টেকনাফ থেকে সাতক্ষীরা পর্যন্ত বেরি বাধ নির্মাণের মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের জানমাল রক্ষা করা যাবে। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমাদের দাবী বেরি বাধটি নির্মাণ হলে বাংলাদেশের উন্নয়ন হবে। বিশেষভাবে দারিদ্র মোচনের মাধ্যমে দেশ হবে মাছে ভাতে দুধে এবং ফলের বাংলাদেশ। তবেই স্বার্থক হবে আজকের এই সমাবেশের।
বক্তব্যে ইতিহাসবিদ সিরাজ উদ্দীন আহমেদ বলেন, বৃহত্তর বরিশালে বার বার জলো”ছাস ঘূর্ণিঝর, সিডর ও আয়লায় জানমালের যে ক্ষতি হয়েছে তা কোন দিন পূরণ হওয়ার নয়। আমরা দেখতে পাই ১৮৪০ সালে এই অঞ্চলের প্রায় ৫০ হাজার লোক নিহত হয়েছিলেন, ঘূর্ণিঝর জলো”ছাসে। তার পুনরাবৃত্তি হয়েছিল ৭০’র আজকে এই দিনে বরিশালে ১০ লক্ষ লোক নিহত হয়েছিল। আমরা আর ২২টি জেলার জানমালের ক্ষতি দেখতে চাই না। অতিসত্বর বেরিবাধ নির্মাণ করে মানুষকে বাচান দেশের উন্নয়ন তরান্বিত করুন।