টার্গেট ছয় মাস, ভাবনায় বিএনপি

যুগবার্তা ডেস্কঃ আগামী মাস ছয়েকের মধ্যে দেশে আন্দোলনের উপযুক্ত একটি ক্ষেত্র তৈরি হবে বলে মনে করছে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়। ওই সময় নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের দাবিতে জোর আন্দোলনের বিষয়টি সক্রিয় ভাবনায় রেখেছে দলটি। অর্থাৎ আগামী নভেম্বর থেকে জানুয়ারির মধ্যে যে কোনো সময় সরকারকে অপ্রস্তুত রেখে কঠোর আন্দোলনে নামতে পারে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট।
সহায়ক সরকারের দাবি আদায়ের পরিকল্পনা ঠিক থাকলে বিএনপিকে ৮-১০ মাস আগেই আন্দোলনে নামতে হবে। কারণ আগামী জাতীয় নির্বাচন হওয়ার কথা ২০১৮ সালের শেষের দিকে। আন্দোলনে নামার কথা ছিল তার মাস খানেক আগে। এখন সেই আন্দোলন শুরুর পরিকল্পনা আঁকা হচ্ছে এ বছরের শেষে।
দলের নীতিনির্ধারকরা বলছেন, সবকিছু নির্ভর করছে অনুকূল পরি¯ি’তির ওপর। এবার অবশ্য কোনো ভুল করতে চায় না। ২০১৫ সালের মতো তালগোল পাকানো কোনো আন্দোলন হবে না। পরিস্থিতি বিচার বিশ্লেষণ করে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হলেই আন্দোলনে নামবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আমরা এখন দল পুনর্গঠনের ওপর জোর দিচ্ছি। আন্দোলন তো দিনক্ষণ ঠিক করে হয় না। সময় এবং পরিস্থিতি বুঝে ডাক দেবেন চেয়ারপারসন।
জানা গেছে, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে ঈদের পরই কঠোর আন্দোলনে নামার পরামর্শ দেওয়া হয়। ওই মাধ্যমগুলোর পরামর্শ ছিল, সহায়ক সরকারের দাবিতে জুন-জুলাইয়ে আন্দোলন শুরু হোক। তবে খালেদা জিয়া তাতে রাজি হননি। কারণ ২০১৫ সালের মতো আন্দোলন ব্যর্থ হলে বিএনপিকে এমন মূল্য দিতে হবে; যার পরিণতি ভোগ করতে হবে অনেক বছর।
বিএনপির শুভাকাক্সক্ষী, দেশের ভেতরের তাদের মিত্র পক্ষগুলো এবারের আন্দোলনে পুরোপুরি সমর্থন দেওয়ার কথা ব্যক্ত করেছে। কূটনীতিক পর্যায়েও তারা আলোচনা করছেন।-আমাদের সময়