জনসংহতি সমিতিরবান্দরবান জেলা কমিটির সভাপতি গ্রেফতার

যুগবার্তা ডেস্কঃ গতরাতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিরবান্দরবান জেলা কমিটির সভাপতি উছোমং মারমাকে বান্দরবান সদরেরকালাঘাটাস্থ বাড়ি থেকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
উল্লেখ্য যে, গত ১৩জুন রাজভিলায় আওয়ামীলীগের সদস্য মংপু মারমার অপহরণ ঘটনায়ষড়যন্ত্রমূলকভাবে জড়িত করে জনসংহতি সমিতি ও সমিতির সহযোগীসংগঠনের ৩৮ জন সদস্যের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলায় উছোমং মারমাসহজনসংহতি সমিতির ১০ জন সদস্য হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিনে রয়েছেন। জামিন পেয়ে গতকাল উছোমং মারমা তাঁর বাড়িতে পৌঁছলে আরেকটিনতুন চাঁদাবাজি মামলায় জড়িত করে তাঁকে গভীর রাতে পুলিশ গ্রেফতারকরে। জানা যায় যে, আজ সোমবার মো: আব্দুল করিম নামে বান্দরবান সদরউপজেলার সুয়ালক ইউনিয়নের জনৈক আওয়ামীলীগ নেতা কর্তৃক জামিনলাভ করা জনসংহতি সমিতির ৭ জন সদস্যসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবংআরো ১৫/২০ জনের বিরুদ্ধে বান্দরবান সদর থানায় তাৎক্ষণিকভাবে উক্তচাঁদাবাজি মামলা দায়ের করা হয়। ইহা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, উক্তষড়যন্ত্রমূূলক চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করার পূর্বেই উছোমং মারমাকেগ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয় যে, রাজনৈতিকভাবেহয়রানির উদ্দেশ্যে পূর্ব-পরিকল্পনা অনুসারে মিথ্যা ও সাজানো অভিযোগেএই মামলা দায়ের করা হয়েছে।জনসংহতি সমিতির বান্দরবান জেলা কমিটির সভাপতি উছোমংমারমাকে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার এবং জনসংহতি সমিতিরসদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও সাজানো মামলা দায়ের করার ঘটনায় পার্বত্যচট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে। অচিরেইউক্ত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও গ্রেফতারকৃত উছোমং মারমাকে বিনাশর্তেমুক্তি প্রদানের দাবি জানাচ্ছে। অন্যথায় যে কোন পরিস্থিতির জন্য তথা সরকার দায়ী থাকবে।এছাড়া গতরাতে দীঘলছড়ি সেনা ক্যাম্প থেকে একদল সেনা রাঙ্গামাটিজেলাধীন বিলাইছড়ি উপজেলায় দীঘলছড়ি ও বাজার এলাকায় এক তল্লাসীঅভিযান চালায়। উক্ত অভিযানে রাত ১০ টার দিকে সেনা সদস্যরাজনসংহতি সমিতির বিলাইছড়ি থানা কমিটির ভূমি ও কৃষি বিষয়কসম্পাদক মানিক চাকমার (থানা সংলগ্ন বাজার এলাকার) বাড়ি ওপার্শ্ববর্তী ঘরবাড়ি এবং রাত ২টায় পাহাড়ি ছাত্র পরিষদেরবিলাইছড়ি থানা শাখার সাধারণ সম্পাদক বীরোত্তম চাকমার (দীঘলছড়িগ্রামের) বাড়ি ঘেরাও করে তল্লাসী করে। মানিক চাকমা ও বীরোত্তম চাকমাসেসময় বাড়িতে ছিলেন না। তাদেরকে ক্যাম্পে উপস্থিত হওয়ার জন্য নির্দেশদিয়ে সেনা সদস্যরা চলে যান। জনসংহতি সমিতি ও সমিতির সদস্যদের বিরুদ্ধে তল্লাসী অভিযানের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং এ ধরনের হয়রানিমূলক অভিযান বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে।সূত্রঃ প্রেস বিঞ্জপ্তি