জনদুর্ভোগ সৃষ্টির বাজেট ও গ্যাস বিদ্যুতের মুল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলুন

যুগবার্তা ডেস্কঃ গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি ও বিদ্যুতে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপসহ লুন্ঠন সহায়ক গরিব মারার বাজেট প্রত্যাখ্যান এবং হাওরবাসীর জন্য বরাদ্দ, জলমহাল ইজারা বাতিলসহ জনজীবনের সমস্যা সমাধানের দাবিতে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ ও গণতান্ত্রিক বামমোর্চা ঐক্যবদ্ধভাবে সচিবালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ নিয়ে পল্টন হয়ে সচিবালয়ের সামনে এলে পুলিশ বাঁধা দেয়। পরে এখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জুনায়েদ সাকী, বাসদ কেন্দ্রীয় নেতা রাজেকুজ্জামান রতন, বাসদ (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় নেতা আকম জহিরুল ইসলাম, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের সমন্বয়ক হামিদুল হক, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা শহীদুল ইসলাম সবুজ। সমাবেশ পরিচালনা করেন সিপিবি ঢাকা মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডা. সাজেদুল হক রুবেল।
সিপিবি সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম বলেন, এই বাজেট ধনী লুটপাটকারীদের স্বার্থে প্রণীত। এবারের বাজেট যেমন সবচেয়ে বেশি ব্যয়ের বাজেট, তেমনই সবচেয়ে বড় ঘাটতি বাজেট। হাওরের ইজারা, বাজেটসহ জনদুর্ভোগ সৃষ্টির সমস্ত অপতৎপরতার বিরুদ্ধে জনগণের পক্ষে বামগণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জুনায়েদ সাকী বলেন , ব্যাংক লুটপাট, দেশের টাকা পাচার করে তা পূরণের জন্য জনগণের উপর করের বোঝা চাপানো হচ্ছে। এই সরকার লুটপাট ও দুর্নীতিবান্ধব এবং জনগণের শত্রু হিসেবে যতদিন টিকে থাকবে ততই জনদুর্ভোগ বাড়বে।
বাসদ নেতা রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, সমস্ত যুক্তি উপেক্ষা করে সরকার গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে, বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে। দেশের টাকা পাচারকারী, ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎকারীদের সহায়তা করা আর জনগণের উপর ভ্যাট ট্যাক্স করের বোঝা চাপানোর এই সরকারের বিরুদ্ধে বাম গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
বাসদ (মার্কসবাদী)’র নেতা জহিরুল ইসলাম বলেন, লুটপাটের পাহারাদারের ভূমিকায় অবতীর্ণ এই সরকারের বিরুদ্ধে বাম গণতান্ত্রিক শক্তির প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।