গৌরনদীতে জমি ক্রয় করে সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যায়িত হলেন এক সংখ্যালঘু পরিবার

বরিশাল অফিস ॥
৪৫ লাখ টাকায় ২৮ শতক জমি ক্রয় করে ওই জমিতে ঘর নির্মান করতে গিয়ে অবশেষে সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যায়িত হলেন এক সংখ্যালঘু পরিবার। এ ঘটনায় সঠিক বিচারের আশায় বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে স্থানীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই জমির ক্রেতা ও বিক্রেতা। ঘটনাটি জেলার গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নের হরহর গ্রামের।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন হরহর গ্রামের অনিল চন্দ্র দাসের পুত্র জমির ক্রেতা মনতোষ দাস। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত একই গ্রামের মৃত হোসেন আলী প্যাদার পুত্র ও জমির বিক্রেতা মোঃ মতিউর রহমান প্যাদা বলেন, দীর্ঘদিন পূর্বে তিনি এসএ জেএল ১৭৬নং ও বিএস জেএল ৯৯নং হরহর মৌজার, এসএ ১৪১ ও ২৬৮নং খতিয়ানের, এসএ ৬৬৮ নং দাগে ও বিএস ৩২৬নং খতিয়ানের ৮০০নং দাগের ২৮শতক জমি এসএ রেকর্ডিয় মালিক মনোহর ঘোষ, দ্বিজেন্দ্র নাথ ও দেবেন্দ্র নাথের কাছ থেকে ক্রয় করেন। ওই জমি তিনি চলতি বছরের ১৮ জুলাই রেজিষ্ট্রি দলিলমূলে ৪৫ লাখ টাকায় মনতোষ দাসের কাছে বিক্রয় করেন।
মনতোষ দাস বলেন, জমি ক্রয়ের পর বিক্রেতা আমাকে ওই জমি বুঝিয়ে দিতে গেলে তার সহদর মুজিবুর রহমান ও তার স্ত্রী শিক্ষক হাসিনা আক্তারসহ তাদের স্বজনরা বাঁধা প্রদান করেন। পরবর্তীতে বিক্রেতাসহ আমরা বাটাজোর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রব হাওলাদারের কাছে বিচার দাবি করি। মুজিবুর রহমানের খামখেয়ালীপনার কারণে চেয়ারম্যান দুই দফা সালিশ বৈঠকের আয়োজন করেও কোন সুষ্ঠু সমাধান করতে পারেননি। তিনি আরও বলেন, গত ২৫ সেপ্টেম্বর আমি ওই জমিতে ঘর তুলতে গেলে মুজিবুর রহমান আমাদের বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার শুরু করে। এমনকি তিনি (মুজিবুর রহমান) আমাকে মিথ্যে মামলায় জড়ানোরও হুমকি প্রদর্শন করেন। গত ২৭ সেপ্টেম্বর শ্রমিক নিয়ে আমি ওই জমিতে ঘর তুলি। বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে মুজিবুর রহমান ও তার সহযোগীরা স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে আমার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী নিয়ে জোরপূর্বক জমি দখলের মিথ্যে সংবাদ দিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে প্রকৃত সত্য ঘটনা উদ্ঘাটনের জন্য প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহযোগীতা কামনা করছি।