গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ গার্মেন্টস সেক্টরে নিরাপদ কর্মস্থলের আহবান

69

যুগবার্তা ডেস্কঃ আজ ‘‘বিশ্ব পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা দিবস’’ উপলক্ষ্যে রানা প্লাজা ও তাজরীনের নিহত শ্রমিক সন্তান, আহত ও ক্ষতিগ্রস্থদের প্রতীক অবস্থান কর্মসূচী থেকে তারা এ আহবান জানান।
জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আমিরুল হক্ আমিন এর সভাপতিত্বে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সকালে এই কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মিস সাফিয়া পারভীন, মোঃ ফারুক খান, কেন্দ্রীয় নেতা মিস নুরুন নাহার, মিসেস আরিফা আক্তার, মোঃ কবির হোসেন, নাসিমা আক্তার, মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক, মিসেস রানু বেগম, মিস পারভীন আক্তার, মোঃ কাশেম প্রমুখ।
সংহতি বক্তব্য রাখেন শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের যুগ্ন সমন্বয়কারী জনাব কামরুল আহসান, ইন্ডাষ্ট্রিঅল বাংলাদেশ কাউন্সিলের সেক্রেটারী জেনারেল জনাব বাবুল আকতার, বাংলাদেশ যুবমৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক যুব নেতা জনাব সাব্বাহ আলী খান কলিন্স, একতা গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক কামরুল হাসান।
আমিন বলেন, ‘‘ ১৯৯০ সালে সারাকা গার্মেন্টসে অগ্নি কান্ড থেকে শুরু করে রানা প্লাজা ধ্বস পর্যন্ত গার্মেন্টস সেক্টরে দূর্ঘটনা ঘটেছে শতাধিক। এসকল অগ্নিকান্ড এবং ভবন ধ্বসে জীবন দিয়েছে কয়েক হাজার গার্মেন্টস শ্রমিক। আর ১ জন শ্রমিককেও যাতে এ ধরনের ঘটনায় জীবন দিতে না হয়, তার জন্য বাংলাদেশে আর একটিও অনিরাপদ গার্মেন্টস কারখানা রাখা যাবে না। অন্যদিকে রানা প্লাজার মত কালো অধ্যায়ের পর একর্ড, এ্যালাইন্স এবং ন্যাশনাল একশন প্লান এর তৎপরতার কারণে কনজিউমার এবং বায়ারদের বাংলাদেশের গার্মেন্টসের প্রতি আস্থা ফিরে এসেছে, প্রতি বছর রপ্তানী বাড়ছে, সরকার ও মালিকরা রপ্তানী দ্বিগুন করার স্বপ্ন দেখছেন। একটি অনিরাপদ কারখানায় ভবিষ্যতে আর কোন দূর্ঘটনা ঘটলে সকল অর্জন এবং স্বপ্ন ব্যর্থ হবে। প্রয়োজনে পথে ঘাটে গজিয়ে উঠা অনিরাপদ দুই একশ ছোট কারখানা বন্ধ করে দিতে হবে’’ তিনি এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিজিএমইএ সহ সকল কারখানার মালিক ও সরকারের প্রতি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আহবান জানান।