গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিরাপত্তার প্রশ্নে ‘জিরো টলারেন্স’

যুগবার্তা ডেস্কঃ জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ শপথ করে বলেছেন ‘‘আমরা বাংলাদেশে আর কোন ভাবেই রানা প্লাজার মত আর একটি শোকাবহ দূর্ঘটনা হতে দেবো না। গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিরাপত্তার প্রশ্নে আমরা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরন করবো। এখানে কোন ছাড় দেয়া হবে না, কোন রকম আপোষ বা সমঝোতা চলবে না ’’।
রানা প্লাজা ট্রাজেডির ৪র্থ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত ‘৫০ জন এতিম শিশুকর্তৃক ৫০ টি প্রদীপ প্রজ্বলন’ অনুষ্ঠানে বক্তৃতায় জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ একথা বলেন। যে ৫০ শিশু সোমবার সকাল ৯.১৫ টায় প্রদীপ প্রজ্বলন করে তারা সবাই রানা প্লাজা দূর্ঘটনায় পিতা-মাতা হারানো এতিম । উল্লেখ্য ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারের ৮তলা রানা প্লাজা ভবনে যেখানে ৫টি গার্মেন্টস কারখানায় ৫০০০ অধিক শ্রমিক কর্মরত ছিলেন । এতে ১১৩৮ জন শ্রমিক নিহত ও ২৫০০ জন আহত হয়। এদের বেশির ভাগই ছিলেন নারী শ্রমিক। এই ট্রাজেডিকে ১০০ বছরের মধ্যে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শিল্প দূর্ঘটনা তথা শ্রমিক হত্যাকান্ড বলে অভিহিত করা হয়।
রানা প্লাজা ট্রাজেডির ৪র্থ বার্ষিকীতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত এর কর্মসূচীতে ফেডারেশনের সভাপতি জনাব আমিরুল হক্ আমিন সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে রানা প্লাজায় নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাজ্ঞ্যাপন ও আহত শ্রমিকদের সমবেদনা জানানো হয়। সভার সভাপতি ক্ষতিগ্রস্থ শ্রমিক ও তাদের পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরন আদায়ে সহযোগীতা করার জন্য বাংলাদেশের গার্মেন্টস শ্রমিক, গার্মেন্টস ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠন, আন্তর্জাতিক ট্রেড ইউনিয়ন ও শ্রমিক অধিকার সংগঠন সমূহের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এতে বক্তব্য রাখেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মিসেস আরিফা আক্তার, কেন্দ্রীয় নেতা মোঃ ফারুক খান, মিসেস আলেয়া বেগম, কবির হোসেন, রফিকুল ইসলাম রফিক, ফরিদুল ইসলাম মিসেস রানু বেগম, হুমায়ুন কবির, মিসেস সুইটি সুলতানা, এইচ রবিউল চৌধুরী, মিস ইসরাত জাহান ইলা, বাচ্চু মিয়া, মিসেস পারভীন আক্তার, মোঃ কাশেম প্রমুখ।