গাছ কেটে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা বাতিলের দাবি করেছে ১৮ সাবেক ছাত্রনেতা

21

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ ১১টি প্রগতীশীল ছাত্রসংগঠনের ১৮ জন সাবেক ছাত্রনেতা আজ এক বিবৃতিতে মহান মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত পাকহানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজরিত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গাছ নির্বিচারে কেটে সম্পূর্ণ বানিজ্যিক স্বার্থে কফিশপ বা স্নাস্কের দোকান যে কোন নামের স্থাপনা নির্মানের পরিকল্পনা বাতিল করার দাবি জানিয়েছেন।
নেতৃবৃন্দ যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ‘স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ প্রকল্প’ এর মাধ্যমে বাঙালীর মুক্তিযুদ্ধের গৌরবের ইতিহাসের স্মারক সংরক্ষণ হোক এটা বাংলাদেশের সকলের প্রাণের আবেগ ও দাবি। কিন্তু বানিজ্যিক স্বার্থে কফিশপ বা স্নাস্কের দোকান করতে গিয়ে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গাছ নির্বিচারে কাটাকে যুক্তিযুক্ত মনে করছিনা। সামগ্রিক বিষয় নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যায় জণগণের উদ্বেগ ও উৎকন্ঠার অবসান হয়নি। আমরা নির্বিচারে গাছ কেটে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ব্যানিজ্যিক স্বার্থে স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানাচ্ছি।

বিবৃতি দাতা ছাত্রনেতৃবৃন্দ হলেন, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি সামসুল আলম সজ্জন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সাবেক সভাপতি খালেকুজ্জামান লিপন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের(জাসদ) সাবেক সভাপতি শরিফুল কবির স্বপন, বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম সুজন, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাবেক সভাপতি হাসান ইমাম রুবল, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি আবু নাসের অনিক, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি খান আসাদুজ্জামান মাসুম, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের(জাসদ) সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী হাসান তরুন, ছাত্র কেন্দ্রের সাবেক সভাপতি মহিউদ্দিন চৌধুরী লিটন, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি মনিরুদ্দিন পাপ্পু, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাবেক সভাপতি মাহফুজুর রহমান সমুদ্র, জাতীয় ছাত্র ঐক্যের সাবেক সভাপতি জুয়েল আহমেদ খান, সমাজবাদী ছাত্র জোটের সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান, সাধারণ সম্পাদক মাসুম উদ্দীন, বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুক্তার হোসেন নাহিদ, বাংলাদেশ ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শুভাশিস সমাদ্দার শুভ, বাংলাদেশ ছাত্র সমিতির সাবেক সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের(জাসদ) সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন প্রমুখ।