খালেদা জিয়া গুপ্তহত্যা শুরু করেছেন: শেখ হাসিনা

146

যুগবার্তা ডেস্কঃ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে গুপ্তহত্যা চালাচ্ছেন অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘রাজনৈতিকভাবে পরাজিত হয়ে তিনি এখন বিদেশে বসে গুপ্ত হত্যা শুরু করেছেন। তাদের গুপ্ত হত্যার শিকার হচ্ছে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী, লেখক, প্রকাশক ও বিদেশিরা।’
জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে সোমবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এসব ঘটনায় ছাত্রশিবির ও ছাত্রদল জড়িত উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তদন্ত করে খুনিদের ধরলেই দেখা যাচ্ছে এরা ছাত্রজীবনে শিবির ও অথবা ছাত্রদল করত।’
একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের চলমান বিচার বানচাল করার উদ্দেশ্যে বিদেশিসহ অন্যদের হত্যা করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা।
যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসনে বিএনপিকে দায়ী করে তিনি বলেন, “আমার লাখো শহীদের রক্তে রাঙা পতাকা তাদের (যুদ্ধাপরাধী) হাতে দিয়েছিল জিয়াউর রহমান ও তার স্ত্রী। যুদ্ধাপরাধী হিসেবে আজ যারা সাজাপ্রাপ্ত তারা তাদের কেবিনেটে বসিয়েছিল।”
বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে গুপ্তহত্যা চালানো হচ্ছে দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, “গুপ্তহত্যা যারা করছে, তাদের কিছুকে খুঁজে বের করা হয়েছে। খুনিদের শাস্তি দেবই দেব, আমি শুধু বাংলাদেশের মানুষের সহযোগিতা চাই। “গুপ্তহত্যা, খুন যাই করুক না কেন, বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে পারবে না, বাংলাদেশের মানুষকে দাবায়ে রাখতে পারবে না।”
বক্তব্যের শুরুতেই ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে হত্যার ঘটনাবলি তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, মোশতাক আহমেদের পর জিয়াউর রহমান খুনিদের পুনর্বাসিত করেছিলেন।
“খুনিদের বিচার করা হয়নি, বরং বিভিন্নভাবে খুনিদের পুরস্কৃত করা হয়েছিল। ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ দিয়ে বিচারের পথ বন্ধ করা হয়েছিল।
‍“জিয়াউর রহমান খুনিদের রাজত্ব কায়েম করেছিল,” মন্তব্য করে শেখ হাসিনা ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের শাসনামলের কথা তুলে ধরেন।
“খুনের রাজত্ব কায়েম করে দেশকে ভিন্ন পথে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। খালেদা জিয়া একটা সন্ত্রাসী রাষ্ট্র তৈরি করেছিল। জিয়াউর রহমানের পথ ধরে তার স্ত্রী খুনের রাজত্ব কায়েম করেছিল।”