ক্রিকেটার মাশরাফি জাতিসংঘের শুভেচ্ছা দূত

158

যুগবার্তা ডেস্কঃ যার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সারা বিশ্বে মাথা উচু করে দাড়িেয় সম্মানিত হয়েছে তার নাম ক্রিকেটের উজ্জল নক্ষত্র মাশরাফি বিন মর্তুজা। জীবনে অনেক চরাই উতরাই পার করলেও হার মানেননি। আজ তারই শক্তিশালী নেতৃত্বের রশি ধরে বিশ্ব ক্রিকেটের মাঠে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। কিন্তু এবার শুধু ক্রিকেটেই নয়, তার নৈপুণ্যে এবার বিশ্ব মানচিত্রেও বাংলাদেশের নাম উচ্চারিত হবে সম্মানের সঙ্গে। কারণ জাতিসংঘের শুভেচ্ছা দূত নির্বাচিত হয়েছেন টাইগার দলপতি মাশরাফি।
সাকিব আল হাসানের পর চতুর্থ বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে জাতিসংঘের শুভেচ্ছা দূত হলেন তিনি। এর আগে বছরের শুরুতে উইজডেন ইন্ডিয়ার বর্ষসেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার জেতেন মাশরাফি। প্রথমবার ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব দ্য রেডক্রসের (আইসিআরসি) আয়োজনে শারীরিক প্রতিবন্ধীদের আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের শুভেচ্ছাদূত হয়েছিলেন তিনি। এবার হলেন জাতিসংঘের শুভেচ্ছা দূত। জাতিসংঘের নতুন এই দূতকে এখন থেকে দেশিয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বিভিন্ন কল্যাণ ও সচেতনতামূলক কাজে অংশগ্রহণ করতে দেখা যাবে।
২০১৩ সালে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান, চলচিত্র অভিনেত্রী আরিফা জামান মৌসুমী ও জাদুশিল্পী জুয়েল আইচকে শুভেচ্ছা দূত করে ইউনিসেফ। ২০০৫ সালে ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুল, হাবিবুল বাশার সুমন ও টেবিল টেনিস খেলোয়াড় জোবেরা রহমান লিনুকে শুভেচ্ছা দূত করেছিল সংস্থাটি।
উল্লেখ্য, জাতিসংঘ তার সদস্যভূক্ত দেশগুলোর মাঝে নির্দিষ্ট লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শুভেচ্ছা দূত নিয়োগ করে থাকে। শুভেচ্ছা দূতের মধ্যে বিশ্বের শীর্ষ স্থানীয় নেতা, খেলোয়াড়, চলচ্চিত্র তারকা প্রমুখ পেশাজীবিদেরকে সম্পৃক্ত করা হয়। শান্তির বার্তাবাহক, খাদ্য ও কৃষি সংস্থা, এইচআইভি ও এইডস কর্মসূচি, পরিবেশ কার্যক্রম, ইউএনডিপি, ইউনেস্কো, ইউনোডিসি, ইউএনএফপিএ, মানবাধিকার কমিশন, ইউনিসেফ, ইউনিডো, ইউনিফেম, বিশ্ব খাদ্য সংস্থা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রমূখ প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাগুলো তাদের কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য শুভেচ্ছা দূত হিসেবে বিভিন্ন সময়ে বিখ্যাত ব্যক্তিত্বকে নিয়োগ করে থাকে।