কোম্বল গায় দিয়া ঘুমাইতে পারমু

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি: বাবারে মোরা নদীর পাড়ে থাহি। শীতে রাইতে কষ্ট হয়। কষ্টে হারা রাইত ঘুম আয় না। এই কোম্বল গায় দিয়া ঘুমাইতে পারমু। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের গোলবুনিয়া গ্রামের ষাটোর্ধ্ব জাহানার বেগম কম্বল হাতে পেয়ে এমন কথা বলেন। সমাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বে-সরকারি উন্নয়ন সংস্থা পাথওয়ে শনিবার দুপুরে রাবনাবাদ নদীর পাড়ে বসবাসরত ৫ শতাধিক জেলে পরিবারের মাঝে লাইফ জ্যাকেট ও শীত বস্ত্র বিতরন করে। এ সময় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্তকর্তা অপু সাহা, জেলা পরিষদের সদস্য এসএম মোশারেফ হোসেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রিন্টু তালুকদার, ইউ এস এইড ওয়ার্ল্ড ফিস ইকোফিস-২ এক্টিভিটি প্রকল্পের সহযোগী গবেষক সাগরিকা স্মৃতি, বে-সরকারী উন্নয়ন সংস্থা পাথওয়ের পটুয়াখালী জেলা সভাপতি স¤্রাট হাওলাদার, সাধারন সম্পাদক শাফিন নাসরুল্লাহ প্রমুখ।
শিক্ষক মো.মোয়জ্জেম হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তারা জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উপকূলীয় অঞ্চলে কি কি ক্ষতিকর প্রভাব পড়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছা সেবীরা নদী ও সাগরে নৌযান ব্যাবহারকারী যাত্রী ও পেশাজীবীদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন স্লোগান সম্বলিত প্লেকার্ড ও ফেস্টুন প্রদর্শন করে।
শীত বস্ত্র ও জেলেদের জীবন রক্ষা সরঞ্জাম লাইফ জ্যাকেট বিতরন শেষে নদীতে আর প্লাষ্টিক বর্জ্য এবং ঘন ফাঁসের জাল ফেলবেনা মর্মে শপথ বাক্য পাঠ করেন জেলেরা।
পাথওয়ের নির্বাহী পরিচালক মো.শাহিন বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে নদী পাড়ের বসবাসরত মৎস্য আহরণকারী দরিদ্র জেলে ও জেলে পরিবারের মাঝে এ লাইফজ্যাকেট এবং শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। এ ধারা অব্যাহত থাকবে।