”কেয়ারগিভার হিসেবে বিদেশে চাকরির অপার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে”

ডেস্ক রিপোর্ট: সেবামূলক কাজকে পেশা হিসেবে নিয়ে উন্নত দেশে চাকরি পাবার জন্য কেয়ারগিভিং এখন বাংলাদেশের জন্য একটি সম্ভাবনাময় খাত। বিশ্বের উন্নত দেশগেুলোতে এখন কেয়ারগিভারদের ব্যাপক চাহিদা। বিশেষত জাপান, কানাডা, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ প্রশিক্ষিত কেয়ারগিভারদের উচ্চ বেতনে চাকরি দিচ্ছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এরই মধ্যে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অনুমোদন দিয়েছে কেয়ারগিভিং কোর্স। সিমেক ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি রাজধানীর উত্তরাতে এই কোর্স এর লেভেল ২-৩ এর নিয়মিত ব্যাচে প্রশিক্ষন দিচ্ছে। বৃহস্পতিবার প্রতিষ্ঠানটির নতুন ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন ক্লাসে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও প্রশিক্ষকেরা বলেন, করোনা পরবর্তী বিশ্বে কেয়ারগিভারদের চাহিদা বহুগুনে বেড়ে গেছে। সেই চাহিদার তুলনায় বাংলাদেশ এখনো প্রশিক্ষিত কেয়ারগিভার তৈরি করতে পারেনি। যেহেতু এটি একটি সেবামূলক কাজ তাই শিক্ষা ও দক্ষতা প্রশিক্ষণের পাশাপাশি নম্রতা-ভদ্রতা, মানবিকতা, নৈতিকতাসহ আচর-আচরণের প্রতিও জোড় দিতে হবে। সিমেকের কেয়ারগিভিং কোর্সে নিজস্ব আধুনিক হাসপাতালে অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ভাষা শিক্ষা ও কম্পিউটার দক্ষতা অর্জনের সুযোগ। একজন কেয়ারগিভারকে উন্নত বিশ্বে সেবাদানের উপযোগি করে গড়ে তোলাই এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য। ছয়মাস মেয়াদী এই কোর্স শেষে একজন দক্ষ কেয়ারগিভার দেশের প্রকৃত মানবসম্পদ হিসেবে দেশে-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হবার সুযোগ পাবে। ১৯ মে সিমেক ইন্সটিটিউটের কেয়ারগিভিং কোর্সের ওরিয়েন্টেশন ক্লাসের শুরুতে বক্তব্য রাখেন প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার মো. আবু মুসা, বিজনেস ডেভেলপমেন্ট উইংয়ের এসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার জামাল উদ্দীন আহমেদ, কেয়ারগিভিং ডিপার্টমেন্ট এর বিভাগীয় প্রধান ডাঃ শামস তাবরেজ, প্রশিক্ষক প্যানেলের সদস্য নাছমা আক্তার এবং ফাল্গুনী বিশ্বাস এবং প্রশিক্ষক ডা. আল আমিন হাওলাদার (শাওন)। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিমেক ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির কো-অরডিনেশন ম্যানেজার শায়লা জাফরীন।