Home জাতীয় কঠোর লকডাউনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার খাঁটিহাতা হাইওয়ে পুলিশের ব্যাপক কড়াকড়ি

কঠোর লকডাউনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার খাঁটিহাতা হাইওয়ে পুলিশের ব্যাপক কড়াকড়ি

34

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: কঠোর লক ডাউন চলছে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হাইওয়েতে। মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে খাঁটিহাতা হাইওয়ে পুলিশ সদস্যরা বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে দায়িত্ব পালন করছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে বাংলাদেশে নতুন করে যে কঠোর লকডাউন আরোপ করা হয়েছে তা কার্যকর করতে খাঁটিহাতা হাইওয়ে পুলিশের ব্যাপক তৎপরতা। বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে শুরু হয় কঠোর বিধিনিষেধ। আর কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে মাঠে রয়েছে পুলিশ, র‌্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবির সদস্যরা।
গতকাল সকালে মহাসড়কের সরাইল কুট্টাপাড়া মোড়ে খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ শাহজালাল আলমসহ সার্জেন্ট মাইদুল ইসলাম ও হাইওয়ে থানা পুলিশ সদস্যদের নিয়ে চেকপোস্ট বসিয়ে তৎপরতা শুরু করে।
সার্জেন্ট মাইদুল ইসলাম বলেন, সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন কার্যকর করতে আমরা তৎপর রয়েছি। চেকপোস্টে গাড়ি থামিয়ে যাত্রীদের পরিচয় এবং রাস্তায় বের হবার কারণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জরুরী সেবার নিয়োজিত যানবাহন ছাড়া কোন গাড়ি প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না।
সরাইল খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শাহজালাল আলম বলেন, সরকার ঘোষিত লকডাউন কার্যকর করতে শুরু থেকেই কাজ করে যাচ্ছে হাইওয়ে পুলিশ। বিশেষ করে সরাইল উপজেলা কুট্টাপাড়া গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ পথে টহল আরও জোরদার করা হয়েছে। তিনি বলেন, শুধু জরুরি পণ্যবাহী ট্রাক ও অ্যাম্বুলেন্স পারাপার করা হচ্ছে। কোনও যাত্রী বা অন্য কোনও গাড়ি এলাকায় ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। সর্বাত্মক লকডাউন কার্যকর করতে হাইওয়ে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। মহাসড়কে প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ পথে হাইওয়ে পুলিশের টহল চলছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লাফিয়ে বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। গেল ২৪ ঘন্টায় জেলায় ১০৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। সে সাথে মৃত্যু হয়েছে ৩জনের। জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৬৯ জন।
সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘন্টায় জেলা সদরে ২৬ জন, কসবায় ৩১ জন, সরাইলে ৮ জন, আখাউড়ায় ৮ জন, আশুগঞ্জে ১৭ জন, বিজয়নগরে ১ জন, নবীনগরে ৬ জন ও বাঞ্ছারামপুরে ৬ জন আক্রান্ত হয়েছে। মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন সদর উপজেলার ১ জন, নবীনগরের ১ জন ও সরাইলের ১ জন। মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৪ হাজার ৫৫১ জন। মোট সুস্থ হয়েছে ৩ হাজার ৮২৭জন রোগী।