উজিরপুরে প্রশাসন ও মৎস্য কর্মকর্তার ইলিশ দ্বন্ধ

উজিরপুর প্রতিনিধি: বরিশালের উজিরপুরে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য কর্মকর্তা ইলিশ অভিযান নিয়ে দ্বন্ধ প্রকট আকার ধারণ করেছে। ২দিন পূর্বে মৎস্য কর্মকর্তার অভিযানে ব্যবহৃত ট্রলার থেকে লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমান জাল উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। এ নিয়ে প্রশাসনের একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীকে দুষছেন মৎস্য দপ্তর। আর প্রশাসন দুষছেন মৎস্য কর্মকর্তাকে। এর রেশ কাটতে না কাটতেই ফের হুলুস্থুল। ১৮ অক্টোবর উজিরপুর খেয়াঘাটে মৎস্য কর্মকর্তা সন্ধ্যায় অভিযানে অংশ নেওয়া ভ‚মি অফিসের জারীকারক আলী আকবরকে মাছসহ অবরুদ্ধ করে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত কর্মচারী আলী আকবর জানান, মৎস্য কর্মকর্তা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে ওৎ পেতে থেকে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে মেজর এম.এ জলিল নূরানী মাদ্রাসা ও এতিমখানার মাছ হাতে ধরিয়ে দিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ তুলে ধাক্কা দিয়ে দোকানে ঢুকিয়ে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়েছেন। এনিয়ে উপজেলা প্রশাসনের ত্রিমূখী লড়াই শুরু হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণতি বিশ্বাস জানান, মৎস্য কর্মকর্তা উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ দিব। তবে মৎস্য কর্মকর্তা শিমুল রানী পাল বিষয়টি এড়িয়ে যান। উপজেলা সহকারী কমিশানর (ভ‚মি) জয়দেব চক্রবর্তী জানান, অভিযানে সারাদিন পরিশ্রম করার পর পরিকল্পিত ভাবে একজন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা হয়ে ভূমি অফিসের চতুর্থ শ্রেণির একজন কর্মচারীর গায়ে হাত তুলে ভয়ভীতি দেখিয়ে লিখিত নেওয়া জঘন্য কাজ। আকবর নিজে মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আমার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। উজিরপুরে মৎস্য অভিযানের শুরু থেকেই মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঢিলেঢালা অভিযান, সমন্বয়হীনতাসহ বিভিন্ন দূর্নীতির অভিযোগ একের পর এক বেরিয়ে আসতে শুরু করে। এমনকি উন্মুক্ত জলাশয়ে বরাদ্দকৃত মাছ না ছেড়ে আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।