Home জাতীয় উজিরপুরের হারতায় ব্যবসায়ী টুনু হত্যার বিচারের দাবীতে মানব বন্ধন

উজিরপুরের হারতায় ব্যবসায়ী টুনু হত্যার বিচারের দাবীতে মানব বন্ধন

58

উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুরে ব্যবসায়ী বাসুদেব চক্রবর্তী টুনু হত্যাকান্ডের চতুর্থ দিনেও বিচারের দাবীতে এলাকাবাসীর মানব বন্ধন। ২৯ জুন মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় উপজেলার হারতা বন্দরে ব্যবসায়ী সমিতি, মোটরযান শ্রমিক ইউনিয়ন, পরিবার ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে মানব বন্ধনে অংশগ্রহন করেন ৭/৮শত বিক্ষুব্ধ নারী-পুরুষ । এসময় বক্তিতা করেন নিহত’র ভাই ইউপি সদস্য নিখিল চক্রবর্তী, ২নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য কৃষ্ণ বাড়ৈ, হারতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি অভিলাশ হালদারসহ অনেকে। নিহতের পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। এসময় বিক্ষুব্ধরা গ্রেফতারকৃত খুঁনি মিতু ভাংরার ফাঁসির দাবী জানান এবং বাকী জড়িতদের দ্রুত সনাক্ত করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানিয়ে মানব বন্ধন করেছে। উল্লেখ্য ২৫ জুন রাত পৌনে ২ টায় পরকীয়া প্রেমিকা মিতু ভাংরার জামবাড়ী এলাকার ভাড়া বাসার সামনে থেকে বাস কাউন্টারের টিকিট ব্যবসায়ী বাসুদেব চক্রবর্তী(টুনু)কে মূমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে পরিবার ও স্থানীয় লোকজন হারতা বাজারে ডাঃ নগেন্দ্র হালদারের ফার্মেসীতে নেয়া হলে সেখানে ভোর সাড়ে ৪ টার দিকে তাকে মৃত্যু ঘোষনা দেয়। এরপর ২৬ জুন সকালে উজিরপুর মডেল থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করেছে। এ ঘটনায় ২৭ জুন রবিবার নিহত ব্যবসায়ীর বড় ভাই বরুন চক্রবর্তী বাদী হয়ে মিতু ভাংরাকে প্রধান আসামী ও অজ্ঞাত ৫/৬জনকে আসামী করে ২০/২১নং একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। এদিকে প্রধান আসামী মিতু ভাংরাকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। নিহত ব্যবসায়ী বাসুদেব চক্রবর্তী টুনু(৪৫) উপজেলার হারতা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের মৃত নারায়ন চক্রবর্তীর ছেলে ও ওই ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য নিখিল চক্রবর্তীর ভাই বাস কাউন্টারের টিকিট ব্যবসায়ী ২ সন্তানের জনক। মিতু ভাংরার প্রথম বিবাহ হয় পয়সারহাট বামশীল। সেখানে ২টি সন্তান রয়েছে। ২য় বিবাহ হয় কুচিয়ারপার হিরো মল্লিকের সাথে সেখানেও ১টি পুত্র সন্ত্রান রয়েছে। সে জামবাড়ী এলাকার কালাম সরদারের বাড়ীতে ভাড়ায় থাকেন। স্থানীয়দের দাবী মিতু ভাংরার সাথে ২ বছর ধরে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। একারনেই তাকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে। মানববন্ধনে বিক্ষুব্ধরা শ্লোগানে শ্লোগানে প্রধান আসামী মিতু ভাংরার ফাসিঁ ও হত্যাকান্ডে বাকী জড়িতদের দ্রুত সনাক্ত করে গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানান। অন্যথায় আরো কঠোর আন্দোলন কর্মসুচি দেয়ার হুমকী দেয়।