ইউপি নির্বাচন : আওয়ামী লীগ ২৬৭০, বিএনপি ৩৭২

29

যুগবার্তা ডেস্কঃঅনিয়ম, সহিংসতায় প্রাণহানির মধ্য দিয়ে নবম ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন শেষ হলো। গত ১১ ফেব্রুয়ারি তফসিল ঘোষণার মাধ্যমে শুরু হওয়া এই ইউপি নির্বাচন ছয় ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। গত ৪ জুন ষষ্ঠ ও শেষ ধাপের ভোট গ্রহণের মধ্য দিয়ে শেষ হয় বহুল আলোচিত এ নির্বাচন। প্রথমবারের মতো দলীভাবে ইউপি নির্বাচনে ১৪টি দল প্রার্থী দিলেও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল আওয়ামী লীগ ও বিএনপিতে। ৬ ধাপের এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ২ হাজার ৬৭০ ইউপিতে এবং বিএনপি মাত্র ৩৭২টিতে জয় পেয়েছে। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে চেয়ারম্যান হয়েছেন ৮৮০ জন। নির্বাচন কমিশনের সূত্র অনুযায়ী, প্রথম ধাপের চূড়ান্ত ফলে আওয়ামী লীগের ৪৯৪, বিএনপির ৫০ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয় পান ১০৯ ইউপিতে। বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের ৫৪ জন। দ্বিতীয় ধাপে আওয়ামী লীগের ৪১৯ জন, বিএনপির ৬৩ জন এবং ১১৭ ইউপিতে জয় পান স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। আওয়ামী লীগের ৩৪ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন এ নির্বাচনেও। তৃতীয় ধাপে আওয়ামী লীগ থেকে চেয়ারম্যান হয়েছেন ৩৬৬ জন, বিএনপির ৬০ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয় পান ১৩৯টিতে। আওয়ামী লীগ থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন ২৯ জন। চতুর্থ ধাপে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন আওয়ামী লীগের ৩৫ জন। আর ভোটের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের ৪০৫ জন, বিএনপির ৭০ জন ও ১৬১ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী জয় পান। পঞ্চম ধাপে আওয়ামী লীগ থেকে ৩৯২ জন ভোটে এবং ৩৯ জন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। আর বিএনপির ৬৭ জন, স্বতন্ত্র ১৭০ জন, জাতীয় পার্টির ৯ জন এবং অন্য দলের একজন প্রার্থী চেয়ারম্যান হয়েছেন। শেষ ও ষষ্ঠ ধাপে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ ৩৮১ জন, বিএনপির ৬২ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন ১৮৪ জন। বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগ থেকে ২২ জন ও ২ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া জাতীয় পার্টি ১৫টি, জেপি একটি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি ইউটিতে জয় পেয়েছে। গত শনিবার ষষ্ঠ ধাপে ৬৯৮ ইউপিতে ভোট হয়। রোববার পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে ৬৬৮ ইউপির ভোটের পূর্ণাঙ্গ তথ্য পৌঁছেছে। কেন্দ্র স্থগিত থাকায় ১৩ ইউপিতে পুনঃভোটের প্রয়োজন পড়বে এবং বাকি ১৭ ইউপির ফল রাঙামাটির প্রত্যন্ত এলাকা থেকে ইসিতে পৌঁছতে বিলম্ব হচ্ছে। ইসির জনসংযোগ পরিচালক এসএম আসাদুজ্জামান বাংলামেইলকে বলেন, ‘সবগুলো ইউপির ফলাফল আসতে আরও সময় লাগবে। পার্বত্য এলাকার বেশকিছু ইউপির ফল কারিগরি সমস্যার কারণে মাঠ কর্মকর্তারা পাঠাতে পারছেন না। সব ইউপির প্রাথমিক প্রতিবেদন পাওয়ার পর ইসির অনুমোদন সাপেক্ষে গণমাধ্যমে জানানো হবে।’