আমু, তোফায়েল, সুরঞ্জিত প্রেসিডিয়ামে ফিরতে পারছেন না

65

যুগবার্তা ডেস্কঃ শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ও সাবেক মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত আওয়ামী লীগে এক সময় খুব প্রভাবশালী ছিলেন। দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ প্রেসিডিয়ামের সদস্য ছিলেন তারা। এক এগার রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এরা প্রেসিডিয়াম থেকে বাদ পড়েন। দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য করা হয় তাদের। আওয়ামী লীগের আসন্ন কাউন্সিলে আবার তিনজনকে প্রেসিডিয়ামে ফিরিয়ে আনা হতে পারে এমন গুঞ্জন উঠেছিল। তবে দলটির প্রভাবশালী একাধিক নেতার মন্তব্য হলো আমু, তোফায়েল ও সুরঞ্জিত আর আর প্রেসিডিয়ামে ফিরে আসার সুযোগ পাচ্ছেন না।
ডাকসুর সাবেক ভিপি, বঙ্গবন্ধুর বিশেষ সহকারি, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের নায়ক হিসেবে পরিচিত তোফায়েল আহমেদ। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগে দুই দফায় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং দীর্ঘদিন প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন। দলে ছিলেন অন্যতম প্রভাবশালী। ভোলার তিনটি আসন থেকে একই সঙ্গে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচন করেছেন তিনি। ২০০৯ সালের কাউন্সিলে ছিটকে পড়েন প্রেসিডিয়াম থেকে। এর পরবর্তী ২০১২ সালের কাউন্সিলে তোফায়েলকে প্রেসিডিয়ামে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে এমন গুঞ্জন উঠেছিল। কিš‘ তা হয়নি।
তোফায়েলের মতো আওয়ামী লীগের আরেক প্রভাবশালী নেতা ছিলেন আমির হোসেন আমু। যুবলীগের চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক এবং দীর্ঘদিন প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন তিনি। ছাত্রলীগ এবং যুবলীগ দীর্ঘদিন নিয়ন্ত্রণ করতেন আমু। একাধিক আসনে দলীয় মনোনয়নে নির্বাচন করেছেন তিনি।
প্রেসিডিয়াম থেকে বাদ পড়ার পর ২০০৯ সালে গঠিত সরকারের মন্ত্রিসভায়ও স্থান হয়নি তার। ২০১৪ সালের নির্বাচন পরিচালনায় গঠিত অন্তবর্তী সরকারের মন্ত্রী করা হয় আমু, তোফায়েলকে। নিৃর্বাচনের পর গঠিত সরকারের মন্ত্রীত্ব পান তারা।
আওয়ামী লীগে নতুন যোগ দিয়েই প্রেসিডিয়াম সদস্য পান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। বঙ্গবন্ধুর আমল থেকেই রাজনীতিতে আলোচিত ছিলেন তিনি। বিশিষ্ট পার্লামেন্টারিয়ান হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাকে। বর্তমানে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য। আমু, তোফায়েল একসাথেই প্রেসিডিয়াম পদ হারান।
আওয়ামী লীগের সর্বশেষ জাতীয় কাউন্সিলের পর থেকেই প্রেসিডিয়ামে একাধিক পদ শুন্য রয়েছে। সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দিন মারা যাওয়ার আরো একটি পদ শুন্য হয়েছে।
অধিকতর তরুণ নেতৃত্ব আনতে বর্তমান কার্যনির্বাহি কমিটির অনেকেই উপদেষ্টা পরিষদে ঠাঁই পাবেন এমনটি আভাস মিলেছে।
বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদকদের কেউ কেউ যুগ্ম সম্পাদক হতে পারেন। সাবেক ছাত্র্রনেতারা কার্যনির্বাহীতে ঠাঁই পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন।আবুল বাশার নূরু, আমাদের সময়.কম