আমি মাথায় নিতে পারছিনা

আজমল হক হেলালঃ প্রতিদিনের মত আজ ২৩ নভেম্বর সকালে রমনায় জগিং করছি। চোখ আমার গাছের দিক।পাখির ছবি তুলবো।পাখি খুজছি। হঠাৎ একটি শিশুর চিৎকার শুনি । মা—–। আমি মাথায় নিতে পারছিনা। তাকিয়ে দেখি একটি শিশু ব্যাগ মাথায় নিয়ে তার মায়ের কাছে যাবে। শিশুটির কাছ থেকে আমি প্রায় ২০০ হাত দুরে। ক্যামেরার ভিউ পয়েন্টে চোখ রেখেই ক্লিক করলাম। পের দৌড়ে গিয়ে শিশুটিকে শান্তনা দিয়ে ব্যাগটিসহ তার মায়ের কাছে নিয়ে গেলাম। ছবির বর্ননা দিলাম। এবার আমার প্রশ্ন, শিশু মন্ত্রনালয় আছে। শিশুদের জন্য মোটা অংকের টাকা বরাদ্ধ রেখেছে সরকার।তারপরও কেন এই দৃশ্য? আচ্চা দরুন এই শিশুটির বয়সী শিশু-তো ওই মন্ত্রনালয়ের কর্তা বাবুদের আছে। তারা যদি এই ছবিটি দেখেন তা হলেই কি তাদের হৃদয় কেপে উঠবে? নাকি নিজেকে এলিড ভেবে এরিয়ে যাবেন? এড়িয়ে যান অসুবিধা নেই। এসব শিশুদের জন্য নিশ্চই আল্লাহ পরকালে কিছু করে রেখেছন। জাতির জনকের কন্যা মাননীয় প্রধান মন্ত্রীও বরাদ্ধ দিয়েছেন। শিক্ষিত চোর কর্তা বাবুরা ওদের টাকা সঠিক ভাবে ব্যবহার করছে না। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী একবার যদি একবার খুজে দেখতেন ওদের টাকা গেল কোথায়? আমার বিশ্বাস চোর কর্তারা উচিৎ শিক্ষা পেত।
শুনেছি এসব শিশুদের শরেরিক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশী। ওরা লেকেরানি খায়, রাস্তায় বা ডাস্টবিন থেক খাবার কুড়িয়ে খায়। ওদের কিন্তু রোগ হয় না। এডিস মশা ওদের কামরায় না। জন্ডিস ভাইরাস ওদের শরীরে ঢুকে না। জিকা ভাইরাসে আক্রমন করতে পারে না। শীতে ঠান্ডাও লাগে না। সবই আল্লাহর রহমত।-লেখকঃ সিনিয়র সাংবাদিক