আজ রক্তাক্ত ও কলঙ্কতি সেই ২১ আগস্ট

87

যুগবার্তা: আজ রক্তাক্ত ও কলঙ্কতি অধ্যায় ২০০৪ সালরে ২১ আগস্ট। এই দনি ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভনিউিয়ে আওয়ামী লীগরে কন্দ্রেীয় র্কাযালয়রে সামনে আয়োজতি মছিলি-র্পূব সন্ত্রাসবরিোধী শান্তি সমাবশেে গ্রনেডে হামলা চালানো হয়। এ গ্রেনেড হামলার প্রধান টার্গেড ছিলেন র্বতমান প্রধানমন্ত্রী তত্কালীন বিরোধীদলীয় নেতা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
ৱতাকে হত্যা এবং আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতে চালানো হয় বর্বরোচিত ও পৈচাশিক এ গ্রেনেড হামলা। এতে আওয়ামী লীগরে মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নারী নেত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। শেখ হাসিনাসহ ৫ শতাধকি মানুষ আহত হন এই হামলায়।
দেশের বিভিন্ন স্থানে বোমা হামলা এবং তত্কালীন বিএনপি-জামাত জোট সরকাররে নির্যাতন-নিপিড়নের প্রতবিাদে ওইদিন সন্ত্রাসবরিোধী শান্তি সমাবশেরে আয়োজন করে আওয়ামী লীগ। বিকালে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে খোলা ট্রাকরে ওপর স্থাপতি উন্মুক্ত মঞ্চে বক্তৃতা করছলিনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
বেলা তখন ৫টা ২২ মনিটি। বক্তব্য শেষ করে শেখ হাসনিা যখন সন্ত্রাসবরিোধী শোভাযাত্রার উদ্বোধন ঘোষণা করবেন, ঠিক সইে মুর্হূতেই আতর্কিত গ্রেনেড বিস্ফোরনের প্রচণ্ড শব্দে প্রকম্পতি হয়ে ওঠে গোটা বঙ্গবন্ধু এভনিউি, গুলিস্তান, পুরানা পল্টন ও এর আশপাশরে এলাকা। চারদিক থেকে সভাস্থলে গ্রেনেড এসে পড়তে থাকে।
মুর্হূতের মধ্যে শান্তি সমাবশে রক্তাক্ত হয়ে পড়ে। পরণিত হয় মৃত্যুর জনপদ। শত শত মানুষরে চিতকার, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকা ছিন্নবিন্ন দেহ, রক্ত আর বারুদরে পোড়া গন্ধে বীভত্স পরস্থিতিি সৃষ্টি হয়। এ সময় সেখানে দায়িত্ব পালনরত পুলিশও রহস্যজনক আচরণ কর। আহতদরে সাহায্য করার পরিবর্তে ভীত-সন্ত্রস্ত এবং আহত মানুষের ওপর বেপরোয়া লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে পুলিশ। মুর্হূতরে মধ্যে এলাকার দোকানপাট ও রাস্তায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা সেই গ্রেনেড হামলা থকেে অল্পের জন্য প্রাণে বেচেচে যান; কিন্তু গ্রেনেডের আঘাতে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি (দলরে তত্কালীন সভাপতমিণ্ডলীর সদস্য) মো. জিল্লুর রহমানের সহধর্মীনী ও আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক, নারীনত্রেী আইভি রহমানসহ ২৪ জন এই হত্যার স্বীকার হন। শেখ হাসিনার শ্রবণশক্তি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। র্দীঘদিন তাকে শ্রবণজনতি সমস্যায় ভুগতে হয়। যারা আহত হয়ছেলিনে, তাদরে সারাজীবন শরীরে গ্রনেডেরে ষ্পিন্ডার বহন করে চলতে হচ্ছে।