অবশেষে ঢাকা মহানগর আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি

যুগবার্তা ডেস্কঃ ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। উত্তর ৭৮ জন ও দক্ষিণে ৭৫ জনের কমিটি রোববার আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সুবহান গোলাপ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এতে বলা হয়, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের কমিটি অনুমোদন করেছেন। উভয় কমিটিতে ৬৯ জন কার্যনির্বাহী সদস্যের সঙ্গে উত্তরে নয় সদস্যের ও দক্ষিণে ছয় সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ রাখা হয়েছে। চলতি বছরের ১০ এপ্রিল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের আলাদা কমিটি ঘোষণা করেন। ওই কমিটিতে মহানগর উত্তর-দক্ষিণ ও ঢাকা মহানগরীর মূল কমিটির পাশাপাশি ৪৯টি থানা ও ১০৩টি ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের নামও ঘোষণা করা হয়। সাংসদ এ কে এম রহমতউল্লাহকে উত্তরের সভাপতি ও সাদেক খানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়; আর দক্ষিণের সভাপতি করা হয় আবুল হাসনাতকে ও সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদকে। সর্বশেষ ২০০৩ সালের ১৮ জুন সম্মেলনের মাধ্যমে মেয়র মোহাম্মদ হানিফকে সভাপতি ও মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াকে সাধারণ সম্পাদক করে অবিভক্ত ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সর্বশেষ কমিটি করা হয়েছিল। ২০০৬ সালের ২৮ নভেম্বর হানিফের মৃত্যুর পর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন এম এ আজিজ। তবে সেই কমিটি পূর্ণাঙ্গ রূপ নিতে পারেনি। ২০০৮ সালে দল ক্ষমতায় আসার পরপরই সংগঠনকে গতিশীল করতে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগকে দুই ভাগে বিভক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এজন্য ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পরে উত্তরে ফারুক খান এবং দক্ষিণে ড. আব্দুর রাজ্জাককে দায়িত্ব দেওয়া হয় নগর কমিটি সমন্বয় করতে। ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দল সমর্থিত দুই প্রাথীর নির্বাচনী সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে তারা নগরের উত্তর ও দক্ষিণের কমিটি এবং থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন কমিটির খসড়া তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দেন গত সেপ্টেম্বরে। কিন্তু গত ২৩ জানুয়ারি এমএ আজিজের মৃত্যুর কারণে নতুন করে দক্ষিণের সভাপতি খুঁজতে গিয়েই মূলত পিছিয়ে যায় কমিটি ঘোষণা। পরে পূর্ণাঙ্গ কমিটির দায়িত্বও দেওয়া হয় ফারুক খান এবং আব্দুর রাজ্জাককের ওপর।