দোষী যেই হোক না কেন, অবিলম্বে শাস্তির আওতায় আনতে হবে

1

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মধুর ক্যান্টিনে প্রগতিশীল ছাত্র জোট আজ সংবাদ সম্মেলন করেছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জোটের সমন্বয়ক ও ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সভাপতি মেহেদী হাসান নোবেল, ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায়, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি ইমরান হাবিব রুমন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ শাহরিয়ার।

সংবাদ সম্মেলনে জোটের নেতৃবৃন্দ বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনাসমূহের সূত্রপাত ডাকসু নির্বাচনের সময় ধরে। গত কয়েক দিনের ঘটে যাওযা ঘটনায় এই ডাকসুকে আরও একবার অবৈধ প্রমাণ করে। একইসঙ্গে ক্ষমতার অপব্যবহার ও নানামাত্রিক দুর্নীতির প্রমাণ তাদেরকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে সাব্যস্ত করে। রোকেয়া হলের দুর্নীতি, মাস্টার্স অব ট্যাক্স অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রামে ভুর্তি জালিয়াতিসহ আরও অনেক ঘটে যাওয়া দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি দাবি জানায় জোটের নেতৃবৃন্দ।
জোটের নেতৃবৃন্দ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক ঘটনার প্রেক্ষিতে বলেন, জাবির দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন চলা অবস্থায় টাকা ভাগাভাগি অবস্থায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম প্রকাশ পায় এবং জাবি ভিসি ও ছাত্রলীগ নেতা পাল্টাপাল্টির অভিযোগের তীর ছোড়াছোড়ির প্রেক্ষিতে ছাত্রলীগের দুই কেন্দ্রীয় নেতাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এর মধ্যে জাবির ঘটনায় অভিযুক্ত কেন্দ্রীয় নেতাদের একজন ভোট জালিয়াতির মধ্যে দিয়ে গঠিত ডাকসুর জিএস এবং অপরজন সিনেট সদস্য। জোটের নেতৃবৃন্দ, গত কয়েক দিনের ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো ছাত্র রাজনীতির ইতিহাসে কলযুক্ত অধ্যায় রচনা করেছে বলে মনে করেন। অতএব, ছাত্র রাজনীতিকে কুলষিতমুক্ত করার লক্ষ্যে এই সকল ঘটনার সাথে যারাই দায়ী তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, ডিন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী যেই হোক না কেন, তাদেরকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। একইসঙ্গে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত সকলকে ডাকসুর সকল পদ থেকে অপসারণ করাসহ ডাকসু’র পুনর্নির্বাচনের দাবি জানান।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায়ের সঞ্চালনায় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন প্রগতিশীল ছাত্র জোটের সমন্বয়ক ছাত্রনেতা মেহেদী হাসান নোবেল।