বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ত্রাস ও অরাজকতার অবসান চায় ছাত্র ইউনিয়ন

1

আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে যেই তান্ডব ঘটে গেছে তা ছিলো সকলের জন্য অপ্রীতিকর। ছাত্রলীগের অন্তর্কোন্দলের জের ধরে মারামারি এবং দুই নেতার মাথা ফাটাফাটির ঘটনা মধুর ক্যান্টিনের রাজনৈতিক ঐতিহ্যের পরিপন্থী। ছাত্রলীগের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের ব্যাপারে একের পর এক সংবাদ শিরোনামই বলে দেয়, দেশের ছাত্ররাজনীতির পরিস্থিতি এখন কতটা সঙ্গীন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে তথাকথিত ডাকসু নেতার এক কোটি টাকা চাঁদাবাজি, একাধিক নেতার ভর্তি জালিয়াতি এবং আজকের এই ঘটনাই সাক্ষ্য দেয় যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এক অস্থির সময় পার করছে। এই অস্থিরতা কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কাম্য নয়।
আজ এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মেহেদী হাসান নোবেল ও সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় বলেন, ছাত্রলীগের কমিটি ভেঙে দেয়া হচ্ছে কি না, তাদের নতুন লাইনআপ কী হবে, তা নিয়ে আমরা বিন্দুমাত্র চিন্তিত নই। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতির আঁতুড়ঘর বলে বিবেচিত মধুর ক্যান্টিনে দুই ছাত্রনেতা একজন আরেক জনের মাথা ফাটাবে তা একেবারেই অনভিপ্রেত। ছাত্ররাজনীতি বলতে আমরা বুঝি ছাত্রদের অধিকার আদায়ের রাজনীতি। গুন্ডামী, চাঁদাবাজি, মারধর এগুলোকে ছাত্র রাজনীতি নয়, বরং স্রেফ সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বলেই আমরা মনে করি।