সাতই মার্চের ভাষনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার বার্তা জানিয়ে দিয়েছিলেন–মোংলায় উপমন্ত্রী

8

মোঃ নূর আলমঃ বঙ্গবন্ধু সারা জীবন আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। ইংরেজ শাসন-শোষণের পরে পশ্চিম পাকিস্তানীরা এদেশের ঐশ্বর্য্য লুট করেছে। বাঙ্গালীদের বুঝতে আর বাকী থাকলো না স্বাধীনতার সংগ্রাম ছাড়া তাদের আর কোন গত্যন্তর নেই। একটি ছাতার নীচে তারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বাধীনতার সংগ্রাম করেছেন। বঙ্গবন্ধু ছিলেন সেই ঐক্যের ছাতা। ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ দেশবাসীকে স্বাধীনতার বার্তা জানিয়ে দিয়েছিলেন। আজ সকালে মোংলার ঠোটারডাঙ্গায় মিঠাখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার এমপি একথা বলেন।
শনিবার বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত জনসভায় সভাপতিত্ব করেন মিঠাখালী ই্উনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আবুল কালাম শেখ। জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস কামরুন্নহার হাই, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সেখ আব্দুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইব্রাহিম হোসেন ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল হোসেন। মিঠাখালী ইউপি চেয়ারম্যান উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোঃ ইস্রাফিল হোসেন হ্ওালাদারের পরিচালনায় জনসভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আ্ওয়ামীলীগ নেতা প্রীতিষ হালদার, জাহাঙ্গীর হাওলাদার, পৌর যুবলীগ সভাপতি শেখ কামরুজ্জামান জসিম, যুবলীগ নেতা আরিফ ফকির, স্বেচ্ছাসেবকলীগের ইমরান বিশ্বাস, ছাত্রলীগ নেতা সজীব খান, ইকবাল হাওলাদার প্রমূখ।

জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার বলেন পাকিস্তান আমলে বাঙ্গালীরা বৈষম্যে শিকার হতো। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরীর ক্ষেত্রে উর্দু ভাষীরা বেশী সুযোগ পেত। এদেশে উৎপাদিত পন্য বাঙ্গালীরা বেশী দাম দিয়ে কিনতো অথচ পশ্চিম পাকিস্তানীরা অর্ধেক দামে কিনতো।