কাশ্মীর পরিস্থিতি সম্পর্কে ওয়ার্কার্স পার্টি

5

“বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি আজ এক বিবৃতিতে কাশ্মীরের সম্প্রতি পরিস্থিতি গভীর উদ্বেগের সাথে পর্যবেক্ষণ করছে।

বিবৃতিতে আরও বলেন, সংবাদপত্র সূত্র অনুযায়ী কাশ্মীর সম্পর্কিত গৃহীত ব্যবস্থার পর কাশ্মীর কার্যত অবরুদ্ধ ও বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। কাশ্মীরের নেতৃবৃন্দ অন্তরীণ অথবা কারারুদ্ধ। আজ ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-র সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি ও ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি সাধারণ সম্পাদক ডি.রাজা কাশ্মীরের বিধায়ক জনাব ইউসুফের খোজ নিতে শ্রীনগর বিমান বন্দরে পৌছালে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই সবই এইদেশের গণতান্ত্রিক শক্তি সমূহের উদ্বিগ্ন না করে পারে না।
কাশ্মীরের সাংবিধানিক মর্যাদা পাল্টিয়ে দেওয়া ও কাশ্মীর রাজ্যকে ভাগ করা বিষয়টি এ সম্পূর্ণ ভারতের অভ্যন্তরিণ বিষয় হলেও, এই অঞ্চলে এই পরিস্থিতির এক গভীর ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক অভিঘাত আছে। কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে এই অঞ্চলে দুইটি যুদ্ধ হয়েছে এবং কাশ্মীর প্রশ্নে এ অঞ্চলে শান্তি স্থিতিশীলতা সহযোগিতা প্রধান বাধা হিসাবে রয়েছে। পাকিস্থানের সহায়তায় কাশ্নীরে জিহাদী ও জঙ্গিবাদী কার্যক্রম ভারতের নিরাপত্তাকেও বার বার বিঘ্নিত করেছে। পাকিস্থান আমলেও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে বিভ্রান্ত করতে পাকিস্থান শাসকেরা কাশ্মীর ইস্যুকে ব্যবহার করেছে। বর্তমানেও এই ঘটনার ফলে বাংলাদেশসহ এই অঞ্চলে জিহাদী ও জঙ্গিবাদী কার্যক্রম বিস্তৃত হবার আশঙ্খা সৃষ্টি হয়েছে।
বাংলাদেশের মানুষ কাশ্মীর জনগণের ইচ্ছানুশারে কাশ্মীরের সমস্য শান্তিুপূর্ণ সমাধান চেয়েছে বরাবর।
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি আশা করে কাশ্নীরের জনগণের আঙ্খকা অনুযায়ী আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্য শান্তিপূর্ণ সমাধান হবে, আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রশমন ঘটবে এবং সিপিএম ও সিপিআই নেতৃবৃন্দসহ সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হবে।”