২০২২ সালে মোংলা-খুলনা রেল লাইন নির্মান কাজ শেষ হবে–রেলমন্ত্রী

36

মোঃ নূর আলমঃ ২০২২ সালের মধ্যে মোংলা-খুলনা রেল লাইন নির্মান কাজ শেষ হবে। নির্মান কাজ শেষে হলেই মোংলা বন্দরের সাথে উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড়, বাংলাবন্ধ এবং ভারতের শিলিগুলির সাথে রেলপথ সংযুক্ত হবে। এর ফলে মোংলা বন্দরের মাধ্যমে ভারত, নেপাল ও ভুটান পন্য পরিবহন করতে পারবে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মোংলা-খুলনা রেল লাইন নির্মান কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনকালে মোংলায় রেলপথ মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত মন্ত্রী মোঃ নুরুল ইসলাম সুজন গণমাধ্যমের কাছে এ কথা বলেন।

এসময় তার সাথে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইয়াসমিন আফসানা, বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশিদ, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ’র পরিচালক ( প্রশাসন ) গিয়াস উদ্দিন, উপজেলা নির্বাহি অফিসার মোঃ রাহাত মান্নান, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ’র প্রধান প্রকৌশলী শেখ শওকত আলী, সহকারি কমিশনার ( ভূমি ) খন্দকার রবিউল ইসলাম, মোংলা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকবাল বাহার চৌধুরী এবং রেল বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

মোংলা পরিদর্শনকালে রেলপথ মন্ত্রী মোঃ নুরুল ইসলাম সুজন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ’র গেস্ট হাউজ পারিজাতে বাগেরহাট জেলা প্রশাসন, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং রেল বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এসময় মন্ত্রী মোংলা-খুলনা রেল লাইনের জন্য অধিগ্রহণকৃত জমির মালিকরা যাতে বঞ্চিত না হন এবং তারা যেন জমির প্রকৃত মূল্য পান সে বিষয়ে সংলিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করেন। এছাড়া রেল লাইনের জন্য উচ্ছেদকৃত পরিবারদের প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ি পুণর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয় সে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেন।

মতবিনিময় সভায় খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন মোংলা বন্দরের কর্মচাঞ্চল্য সৃষ্টি করতে এবং ব্যবসা বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে রেলপথ নির্মানে দক্ষিণ জনপদের মানুষের সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। মোংলা পরিদর্শনকালে মন্ত্রী রেলপথ নির্মান কাজ ভালো ভাবে সম্পন্ন করার জন্য মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ’র সহযোগিতা কামনা করেন। রেলপথ মন্ত্রী মোংলার দিগরাজ এবং বন্দর এলাকায় নির্মানধীন রেল লাইন নির্মান কাজের অগ্রগতি বিষয়ে খোজ-খবর নেন। এর আগে সকালে মন্ত্রী খূলনার ফুলতলায় রেল লাইন নির্মান কাজ এবং রুপসা নদীতে রেল ব্রীজ নির্মান কাজ পরিদর্শন করেন।