লড়াই করে হারলো বাংলাদেশ

3

কিরনঃ আশার আলো জ্বালিয়েও শেষ রক্ষা হলোনা টাইগার বাহিনীর।লড়াইটা জমে ছিল, তাই বাঙালী ভক্তরা খেলা উপভোগ করেছে প্রাণ ভরে।কঠিন লড়াই করে হেরেছে বাংলাদেশ। শফিকুর রহিমের সেঞ্চুরির পরও অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৪৮ রানে হারলো বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৩৮২ রানের পাহাড় ডিঙাতে নেমে ওয়ানডে ক্রিকেটে নিজেদের সব চেয়ে বড় স্কোর ৩৩৩ রাতে পৌঁছায় টাইগাররা।

ব্যাটিংয়ে নেমে তামিম ইকবালের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট সৌম্য সরকার। মাত্র ২৩ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙে টাইগারদের। সাকিব আল হাসান। আগের চার ম্যাচে দুই ফিফটির পর ব্যাক টু ব্যাক সেঞ্চুরি করে চলতি আসরে সর্বোচ্চ রান করে শীর্ষে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলতে নেমে অসাধারণ ব্যাটিং করে ফিফটির পথেই ছিলেন সাকিব। তবে মার্কু স্টইনিসের বলে ডেভিড ওয়ার্নারের হাতে ক্যাচ তুলে দেন সাকিব। ৪১ বলে চারটি চারের মধ্য দিয়ে ৪১ রান করেন তিনি।

ভালো শুরুর পরও নিজের ইনিংসটা লম্বা করতে পারেননি তামিম ইকবাল। ৭৪ বলে ৬টি চারের সাহায্যে ৬২ রান করেন তিনি। আগের ম্যাচে ৬৯ বলে ৯৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে আশা জাগিয়ে ছিলেন লিটন দাস। কিন্তু ঠিক পরের ম্যাচেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাহাড় ডিঙাতে নেমে হতাশ করলেন লিটন। অজিদের বিপক্ষে ১৭ বলে ২০ রান করে ফেরেন এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান। তার বিদায়ে ২৯.২ ওভারে ১৭৫ রানে ৪ ব্যাটসম্যানের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর দলের হাল ধরেন মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ।

এর আগে, ডেভিড ওয়ার্নারের সেঞ্চুরি এবং উসামান খাওয়াজা ও অ্যারন ফিঞ্চের ফিফটিতে বিশাল সংগ্রহ গড়েছে অস্ট্রেলিয়া। ৫০ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ৩৮১ রান সংগ্রহ করে অস্ট্রেলিয়া।

বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ডের নটিংহামে বাংলাদেশের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে অস্ট্রেলিয়া। ৯.৩ ওভারে স্কোরবোর্ডে ৫০ রান যোগ করেন দুই ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ ও ডেভিড ওয়ার্নার। উইকেটে থিতু হওয়ার পর থেকেই একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকান ওয়ার্নার-ফিঞ্চ।

উদ্বোধনী জুটিতে ডেভিড ওয়ার্নারের সঙ্গে ১২১ রানের জুটি গড়েন অ্যারন ফিঞ্চ। ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা তাদের এই জুটি ভাঙেন সৌম্য সরকার। ১ উইকেটে ৩১৩ রান তোলার পরও অস্ট্রেলিয়া যে শেষে সাইক্লোন ওঠাতে পারেনি, তাতেও সৌম্যের ভূমিকা আছে। স্লগ ওভারে টানা ফিরিয়েছেন ওয়ার্নার আর খাজাকে। এর মধ্যে খাজা ফেরার ওভারেই রান আউটের শিকার হয়েছেন হাত খুলে মারতে থাকা গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (১০ বলে ৩২)।

৭২ বলে ৮৯ করা উসমান খাজাকে সেঞ্চুরি বঞ্চিত করে নিজের তৃতীয় শিকার ধরেন সৌম্য। ৪৮তম ওভারে এসে স্টিভেন স্মিথকে (১) এলবিডাব্লিউ করেন মুস্তাফিজ।

৪৯ ওভার শেষে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি। এরপর থেমে যায় খেলা। বৃষ্টি শেষে আবার খেলা শুরু হয়। শেষ ওভারে মুস্তাফিজ ১৩ রান দিলে অজিদের মোট সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩৮১।