কালো টাকার স্বার্থরক্ষাকারী এই বাজেট

1

যুগবার্তা ডেস্কঃ ২০১৯-২০ সালের প্রস্তাবিত বাজেটে গরিব সাধারণ মানুষের স্বার্থের কোন প্রস্তাব করা হয়নি। বাজেটে কালো টাকা ও লুটপাটকারীদের স্বার্থরক্ষা করা হয়েছে, যা মুক্তিযুদ্ধ ও সংবিধানের মূলনীতি ও চেতনার পরিপন্থী। আজ শুক্রবার সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে উত্থাপিত জাতীয় বাজেট প্রত্যাখ্যান করে বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি’র অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে থেকে বক্তারা একথা বলেন।

সংগঠনের সহ-সভাপতি ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন রেজা, সহ-সাধারণ সম্পাদক অর্ণব সরকার, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোতালেব হোসেন, আরিফুল ইসলাম নাদিম। সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষক সমিতির নেতা মানবেন্দ্র দেব।

মানববন্ধনে বক্তারা আরো বলেন, এই প্রস্তাবিত বাজেট দেশে আয় ˆবষম্যকে আরো বৃদ্ধি করে বড়লোকদের আরো বড়লোক করবে অপরদিকে মধ্যবিত্ত ও গরিবদের নিঃস্ব করে দিবে। অথচ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় রচিত সংবিধানের মূলনীতির অন্যতম সমাজতন্ত্র। সংবিধানে স্পষ্ট বলা আছে দেশের মানুষের ˆবষম্য কমাতে হবে। রাষ্ট্র ˆবষম্য কমানোর জন্য সচেষ্ট থাকবে। কিন্তু এই বাজেটে সংবিধানের মূলনীতি ও চেতনার কোন প্রতিফলন নেই। কালো টাকার স্বার্থরক্ষাকারী এই বাজেট সংবিধানের মূলনীতি ও চেতনার পরিপন্থী।

বক্তারা বলেন, গ্রামীণ মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পল্লী রেশন। বাজেটে আর্মি-পুলিশের জন্য রেশন বরাদ্দ করলেও দেশের উৎপাদনের চালিকা শক্তি গরিব শ্রমজীবী মানুষের জন্য কোন বরাদ্দ রাখা হয়নি। এই গ্রামীণ ক্ষেতমজুরসহ গ্রামীণ মজুরদের সারাবছর কাজ থাকে না। ক্ষেতমজুরদের সারাবছর কাজের নিশ্চয়তা ˆতৈরির জন্য কর্মসৃজন কাজের দিন বৃদ্ধি করে সকল উপজেলায় ১শ দিনের কাজ ও ৫০০ টাকা মজুরির বরাদ্দর দাবি জানান নেতৃবৃন্দ।