ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতরা অবস্থান স্থগিত করেছে

8

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাসে ছাত্রলীগের পদ বঞ্চিতরা অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করেছে। গতকাল রাতে ধানমন্তিতে এক বৈঠক শেষে গভীর রাতে কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন আন্দোলনকারীরা।

জানাগেছে, ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে পদবঞ্চিতদের সঙ্গে সংগঠনটির শীর্ষ দুই নেতার দ্বন্দ্ব মেটাতে ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে উভয়পক্ষের সঙ্গে আওয়ামী লীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আবদুর রহমান; সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল হক ও বাহাউদ্দিন নাছিম, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা আবু কাওসার প্রমুখ।
রবিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে আন্দোলনকারীরা পার্টি অফিসে যান। বাকিরা রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যান। ছাত্রলীগ সভাপতি সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে রাজু ভাস্কর্যে এসে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি হিসেবে মোল্লা কাউছারের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দেখা করে কর্মসূচি প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

আন্দোলনকারীদের কাছে বিভিন্ন ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। মধুর ক্যান্টিনে হামলার ঘটনার প্রসঙ্গে রাব্বানী তাদের বলেছেন, ‘আমরা চারজনকে বহিষ্কার করবো, আরও যদি কেউ থাকে তাদেরও বহিষ্কার করা হবে।’

আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে সেখানে গিয়েছেন ছাত্রলীগের রোকেয়া হলের সভাপতি বিএম লিপি আক্তার, বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হলের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা পারভীন, শামসুন নাহার হলের সভাপতি নিপু ইসলাম তন্বী, ডাকসুর সদস্য তিলোত্তমা সিকদার, গত কমিটির প্রচার সম্পাদক সাঈফ বাবু, বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হলের সভাপতি শ্রাবণী শায়লা, জসীম উদ্দীন হলের সাধারণ সম্পাদক শাহেদ খান।