সরকারী ভাবে কৃষকদের কাছ থেকে উৎপাদিত উদ্বৃত্ত ধান নির্ধারিত ন্যায্যমূল্যে কিনতে হবে–জি এম কাদের

3

যুগবার্তা ডেস্কঃ জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি বলেছেন, মিল মালিক নয়, সরকারী ভাবে কৃষকদের কাছ থেকে উৎপাদিত উদ্বৃত্ত ধান নির্ধারিত ন্যায্যমূল্যে কিনতে হবে। প্রয়োজনে বেসরকারী মালিকানাধীন গুদাম গুলো সরকারী নিয়ন্দ্রণে নিয়ে জরুরী ভিত্তিতে ধান সংরক্ষণের উপযুক্ত করে ধান সংরক্ষণ করতে হবে।

আজ শনিবার দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বানানী অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি একথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, বোরো ধান নিয়ে কৃষকরা বিপাকে পড়েছে। হতাশাগ্রস্থ কৃষকরা বোরো মৌসুমে ধান কাটছেনা। বিভিন্ন গণমাধ্যমে স্থানীয় কৃষক ও কৃষি বিভাগের বরাত দিয়ে প্রচারিত সংবাদে জানা যায়, প্রতি মণ ধান উৎপাদনে কৃষকদের খরচ হয়েছে ৯০৬ টাকা ৫০ পয়সা। কিন্তু বাজারে প্রতি মণ ধানের দাম ৫শ’ থেকে সাড়ে ৫শ’ টাকা। আবার ধান কাটতে একজন কৃষি শ্রমিককে তিন বেলা খাবার সহ মজুরি বাবদ খরচ হয় ৬শ’ থেকে ১ হাজার টাকা। এতে কৃষকরা মাঠের ধান কাটতে উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছেন। প্রতি মণ ধান যখন বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে সাড়ে ৫শ’ টাকায়। ঠিক তখন স্থানীয় বাজারে মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে প্রতি মন ১৬শ’ থেকে ২ হাজার টাকায়। কৃষকদের অভিযোগ মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে আমাদের কৃষি। কৃষকদের অভিযোগ, সরকার ধান ক্রয় করে মিল মালিকদের কাছ থেকে, এতে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পায়না।
তিনি আরো বলেন, সংবাদ মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি, বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার বিদেশে চাল রফতানী করতে বিবেচনা করছে। আমরা মনে করি, চাল রফতানীর পূর্বে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে। কারণ, কোন বিশেষ পরিস্থিতিতে চাল/খাদ্যদ্রব্য প্রয়োজন হলে, দ্রুততার সাথে আমদানী করা সম্ভব নয়। এতে ভয়াবহ খাদ্য সংকটের ঝুকি সৃষ্টি হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব- মোঃ মসিউর রহমান রাঙ্গা এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য- শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, আলমগীর সিকদার লোটন, নাজমা আক্তার এমপি, এমরান হোসেন মিয়া, যুগ্ম মহাসচিব- শফিকুল ইসলাম শফিক, জহিরুল আলম জহির, হাসিবুল ইসলাম জয়, সাংগঠনিক সম্পাদক- শফিউল্লাহ শফি প্রমুখ।