৬০ বছর অন্যায়ের পর এখন ‘ন্যায়

4

ভারতের সবচেয়ে পুরনো দল কংগ্রেসের সমালোচনায় আরও একবার সুর চড়ালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তীব্র কটাক্ষ করেছেন দরিদ্রদের জন্য ন্যূনতম আয়ের নিশ্চয়তা দিয়ে (প্রতি পরিবারকে বার্ষিক ৭২ হাজার রুপি) কংগ্রেসের নির্বাচনী ইসতেহারকে।

তিনি বলেছেন, “তারা (কংগ্রেস) এখন বলছে, ‘আব হোগা ন্যায়’ অর্থাৎ এবার ন্যায়বিচার হবে। এই কথার মানে, তারা স্বীকার করে নিল, নিজেদের ৬০ বছরের শাসনকালে দেশের জনগণের ওপর ন্যায় করেনি তারা। তাই এখন ন্যায়ের কথা বলতে এসেছে কংগ্রেস।”

এবার নির্বাচনে জিততে গরির-দুঃখীদের জন্য ন্যূনতম আয় যোজনা ‘ন্যায়’ বলে একটি প্রকল্প ঘোষণা করেছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। শনিবার দেশের দক্ষিণে তামিলনাড়–তে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে কংগ্রেসের এই ন্যায় প্রকল্পকে নিয়ে তোপ দাগেন মোদি।

এদিকে রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করে বিজেপি ফায়দা হাসিল করার চেষ্টা করছে বলে আক্রমণ শানিয়েছেন মোদির চরম বিরোধী পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা ব্যানার্জি। খবর হিন্দুস্থান টাইমস ও টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার।

এবারের লোকসভা নির্বাচনে দিন বদলের ইসতেহার দিয়েছে কংগ্রেস।

এতে দরিদ্র ও কৃষকদের জন্য কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের ঘোষণা দিয়েছেন। ইসতেহার ঘোষণা করে রাহুল গান্ধী বলেন, ন্যূনতম আয় যোজনার ফলে দেশের ৫ কোটি গরিব মানুষ উপকৃত হবেন।

রাহুল প্রতিশ্রুতি দেন, ২০১৯ লোকসভায় জিতে যদি কংগ্রেস ক্ষমতায় আসে, তাহলে সরকার দেখবে দেশের প্রতিটি পরিবারের ন্যূনতম আয় হবে ১২ হাজার টাকা।

এ ছাড়াও এই প্রকল্পের আওতায় দেশের ২০ শতাংশ গরিব মানুষের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৬ হাজার টাকা করে দেয়া হবে। কংগ্রেসের এই ইসতেহার প্রকাশের পরেই বিজেপির তরফে একে ‘অবাস্তব’ বলে সমালোচনা করা হয়।-যুগান্তর