বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করার ফলে বাংলাদেশ শান্তির দেশ হিসেবে পরিচিত–নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী

10

দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করার ফলে শান্তির দেশ হিসেবে পরিচিত, জঙ্গিবাদ দমনে পৃথিবীতে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। যে জাতি একদিন দুর্যোগ, খরা কবলিত দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল সে জাতি এখন উন্নয়নের রোল মডেল। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করতে পেরেছি, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও রায় কার্যকর করেছি, পুরো বিশ্বে বাংলাদেশ এখন সম্মানিত হচ্ছে।
তিনি আজ দিনাজপুর প্রেসক্লাবের এম. আব্দুর রহিম মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষ্যে ‘বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ।

দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি স্বরুপ বকসী বাচ্চুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল, দিনাজপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুল ইমাম চৌধুরী, সাবেক হুইপ মিজানুর রহমান মানু, সাবেক এমপি আব্দুল লতিফ, বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন দিনাজপুরের সাধারণ সম্পাদক ডা. বিকে বোস, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, কোতয়ালী আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমদাদ সরকার, দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সাধারনণ সম্পাদক গোলাম নবী দুলাল এবং দিনাজপুর প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য একরাম তালুকদার।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, যুদ্ধের সময় পাকিস্তানী বাহিনী বঙ্গবন্ধুকে হত্যার জন্য ফাঁসির মঞ্চ তৈরী করেছিল এবং কবর পর্যন্ত প্রস্তুত করা হয়েছিল কিন্তু পারে নাই। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আমাকে হত্যা করতে পারবেন কিন্তু বাংলার স্বাধীনতাকে দাবিয়ে রাখতে পারবেননা। বাংলার মানুষের উপর তার যেমন বিশ্বাস ছিল তেমনি ভালবেসেছিলেন বাংলার মানুষদের। এমন একজন মানুষকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন, সোনার বাংলা গঠন কখনই সম্ভব হয়নি। ৭৫’র পরবর্তী সময়ে জিয়াউর রহমান, এরশাদ ও খালেদা জিয়া অনেক চেষ্টা করেছেন কিন্তু হয়নি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৭৫’র পরবর্তী সরকারগুলোর সময়ে বাংলাদেশে দুর্বৃত্তায়ন হয়েছে, রাজনীতিকে কলুষিত করেছে, সমাজকে ধ্বংস করেছে, শিক্ষাজীবনকে বিঘ্নিত করেছে কোন কিছু বাদ দেয় নাই। ব্যবসা-বাণিজ্য, অর্থ, স্বাধীনতা বিরোধীদের হাতে তুলে দিয়েছে। যারা প্রতিনিয়ত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। বাংলাদেশকে গোল্ডেন ট্রাইএঙ্গেল বানানোর চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি কলেন, যুবসমাজের হাতে মাদক ও অস্ত্র তুলে দেয়া হয়েছে। বিঘ্নিত জাতি হিসেবে তৈরী করে দেয়া হয়েছে। খুনিদেরকে পূর্ণবাসন করা হয়েছে। যেই খুনিরা বলেছিল আমি বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছি সেই খুনিদেরকে জিয়াউর রহমান ফুলের মালা দিয়েছেন। সেই খুনিদেরকে এরশাদ রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছিলেন। খালেদা জিয়া সেই খুনিদেরকে পার্লামেন্টে, নিজামী ও মুজাহিদকে মন্ত্রী বানিয়েছেন।